নির্মাণের প্রায় ৩ বছর 

পাইপলাইনে গভীর সমুদ্র থেকে তেল খালাসের প্রকল্প চালু শিগগিরই

নির্মাণের প্রায় ৩ বছর পর চালু হতে যাচ্ছে পাইপলাইনে গভীর সমুদ্র থেকে জ্বালানি তেল খালাসের প্রকল্প। এ জন্য ইন্দোনেশিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানকে পরিচালন ঠিকাদার হিসেবে চূড়ান্ত করেছে সরকার। বিপিসি চেয়ারম্যান বলছেন, প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্প থেকে দ্রুত ও নিরাপদে তেল খালাস করা যাবে। পাশাপাশি বছরে সাশ্রয় হবে ৮০০ কোটি টাকা। 

নির্মাণের প্রায় ৩ বছর পর চালু হতে যাচ্ছে পাইপলাইনে গভীর সমুদ্র থেকে জ্বালানি তেল খালাসের প্রকল্প। এ জন্য ইন্দোনেশিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানকে পরিচালন ঠিকাদার হিসেবে চূড়ান্ত করেছে সরকার। বিপিসি চেয়ারম্যান বলছেন, প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্প থেকে দ্রুত ও নিরাপদে তেল খালাস করা যাবে। পাশাপাশি বছরে সাশ্রয় হবে ৮০০ কোটি টাকা। 

দ্রুত, ঝুঁকিহীন ও সাশ্রয়ী পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল খালাসে ২০১৮ সালে সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং উইথ ডাবল পাইপলাইন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। 

চীনের ঋণ ও কারিগরি সহায়তায় প্রকল্পের প্রাথমিক খরচ ধরা হয় প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। তবে ৪ দফা সময় ও ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৮ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা। 

২০২৪ সালের মার্চে গভীর সমুদ্র থেকে পাইপলাইনে পরীক্ষামূলক জ্বালানি তেল খালাস হয়। কক্সবাজারের মহেশখালী স্টোরেজ থেকে তেল নেয়া হয় চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারিতে। তবে পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ঠিকাদার না থাকায় গত আড়াই বছরেও বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়নি এসপিএম প্রকল্প।

সম্প্রতি ৫ বছরের জন্য এ কাজ দেয়া হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার প্রতিষ্ঠান পিটি পারতামিনা ট্রান্স কন্টিনেন্টালকে। তাদের দিতে হবে ১ হাজার ৯৪৬ কোটি টাকা। 

বিপিসির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মহেশখালী থেকে পাইপের মাধ্যমে পতেঙ্গা, সেখান থেকে ফতুল্লার গোদনাইল নিয়ে আসার যে সুযোগটা তৈরি হয়েছিল, এতে সাড়ে ২৮ কোটি টাকার মতো ব্যয় হয়েছে। এটা দীর্ঘদিন পড়ে ছিল। এখন আমরা একটা ভালো পজিশনে চলে এসেছি। কনস্ট্রাকশন কমপ্লিট। টেস্টিং হয়েছে।’ 

ইন্দোনেশিয়ার প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে বিপিসির চুক্তি হবে সামনে মাসেই। পরের ৩ মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি জনবল নিয়ে আসবে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে শুরু হতে পারে তেল খালাস। 

বিপিসির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এটা একটা অগ্রাধিকার প্রকল্প। সরকারের সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা পড়ে আছে। এটা তো শেষ পর্যন্ত জনগণের ওপর টাকার চাপটা যাবে। তাই যত দ্রুত সম্ভব চালুর চেষ্টা করছি।’

শর্ত অনুযায়ী ইন্দোনেশিয়ার প্রতিষ্ঠানটি বিপিসির পেট্রোলিয়াম ট্রান্সমিশন কোম্পানি-পিটিসি'র জনবলকে প্রশিক্ষণ দেবে। ৫ বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে পুরো প্রকল্পটি বুঝে নেবে পিটিসির কর্মীরা।