রাজধানীর খুচরা বাজারে আড়াই মাসের বেশি সময় ধরে লাগামহীন ডিমের দর। পাইকারি বাজারে চেয়ে খুচরা বাজারে ডজনের পার্থক্য ১৫ টাকা। অন্যদিকে সহজলভ্য আমিষ হিসেবে পরিচিত মসুর ডালের দামেও নেই নিয়ন্ত্রণ। সয়াবিন তেলে সরবরাহ সংকটের দাবি বিক্রেতাদের। তবে পরিবহন খরচ বাড়ার অজুহাতে ২০ টাকার বেশি বেড়েছে অনেক সবজির দাম।
শুক্রবার সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে বাজারে ক্রেতাদের ভিড় অন্যান্য দিনের চেয়ে কম। তারপরও রাজধানীর কাঁচাবাজারে বাড়তি নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম।
নিম্ন আয়ের মানুষের আমিষের প্রধান উৎস ডিম ও ডাল। কিন্তু এখন তাও চলে যাচ্ছে নাগালের বাইরে। মহল্লার দোকানে একটি ডিমই বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকায়। এবং খুচরা বাজারে ডজন ছাড়িয়েছে ১৬০ টাকা। মসুর ডালের দাম প্রতি কেজি ১৫০ টাকা। বাজারভেদে সোনালি মুরগির দাম ৩১০ থেকে ৩৫০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়।
তুলনামূলক কম দামে মিলছে লাউ, চালকুমড়া। আকারভেদে দাম ৩০-৪০ টাকা। পেঁপে প্রতি কেজি ৪০ টাকা। বেগুনের কেজি ছাড়িয়েছে ১২০ থেকে ১৮০ টাকায়। করলা, বরবটি, পটলের, ঢেঁড়শের দাম পড়ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। বাজারে আগাম পাওয়া যাচ্ছে বাধঁকপি, ফুলকপি, শিমসহ বিভিন্ন শীতকালীন সবজি।
নতুন দাম নির্ধারণের পরও সরবরাহ কম বোতলজাত তেলের। বিক্রেতারা বলছে ৫ ও ২ লিটার বোতলের সহজলভ্যতা থাকলেও ১ লিটার বোতলের সংকট রয়েছে। পাওয়া গেলও মিলছে নিধারিত দামে।