বোতলজাত সয়াবিন তেলে ভারী ধাতু পাওয়ার খবর ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, ল্যাব পরীক্ষায় এসব তেলে বিষাক্ত ধাতু পাওয়া যায়নি। বুধবার রাজধানীতে বিশ্ব মান দিবসের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসটিআইকে শক্তিশালী করে সারাদেশে আওতা বাড়ানো হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
সম্প্রতি বিভিন্ন বেসরকারি গবেষণায় উঠে এসেছে, দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বোতলজাত সয়াবিন তেলে সিসা, আর্সেনিক, ক্রোমিয়াম, পারদ ও নিকেলের মতো বিষাক্ত উপাদান পাওয়া গেছে।
এমন পরিস্থিতিতে নড়েচড়ে বসে সরকার। দেশের বাজারে থাকা ১৯৩টি সয়াবিন তেলের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা যায়, এতে কোনো ক্ষতিকর ধাতু পাওয়া যায়নি। মান দিবসের এক অনুষ্ঠানে এমন দাবি করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তেলে ভারি ধাতু পাওয়ার খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘বাজারে যেসব সয়াবিন তেল আছে সেটি সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ। এতে কোনো ভারী ধাতু নাই, কোনো লেড নাই। অনেক জায়গায় অনেক ভেজাল আর খারাপ খবরের মধ্যেও অন্তত একটা ভালো খবর আপনাদের দিতে পারলাম। আপনি যখন রান্নায় তেল ব্যবহার করবেন জানবেন অন্তত এটাতে ক্ষতিক্ষর কিছু নাই।’
তিনি বলেন, পণ্যের মান নিশ্চিত করা শুধু ব্যবসা-বাণিজ্যের বিষয় নয়, এটি মানুষের জীবনমান ও নিরাপত্তার সঙ্গেও জড়িত ।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য পরিবেশ তৈরির জন্য বিএসটিআইয়ের কার্যক্রম আমরা বাড়াতেই থাকব। এটার বিস্তৃতি ঘটতেই থাকবে।’
আলোচনায় বক্তারা বলেন, খাদ্যে ভেজালের কারণে ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধির ঝুঁকি বাড়ছে। এসব অনিয়ম বন্ধে বিএসটিআইয়ের কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।
এলডিসি উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পণ্যের মান নিশ্চিত করা জরুরি বলেও মনে করেন তারা।