এলডিসি উত্তরণ পেছানোর সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা চলতি মাসেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

এলডিসি উত্তরণ পেছানোর সিদ্ধান্ত চলতি মাসেই আসতে পারে। বাড়তি তিন বছর সময় পেলে প্রস্তুতি জোরদারের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তির লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। 

সোমবার এলিডসি উত্তরন নিয়ে ইআরএফ ও বিএফটিআই আয়োজিত সেমিনারে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সময় বাড়লেই চ্যালেঞ্জ শেষ হয়ে যাবে না। 

স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণ পিছিয়ে দিতে সম্প্রতি জাতিসংঘে আবেদন করে বাংলাদেশ। শর্ত অনুযায়ী জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির ধাপ পেরিয়েছে বাংলাদেশ।  

এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি হয়েছে। তাঁর আশা, চলতি অক্টোবরের মধ্যেই আসতে পারে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত। বাড়তি সময়কে কাজে লাগিয়ে রপ্তানি বাজার ধরে রাখা, জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং ব্যবসা সহজ করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘এ সম্পর্কিত যেসব চ্যালেঞ্জ আমরা মোকাবিলা করব, তার পর্যাপ্ত প্রস্তুতি আমাদের ছিল না। সামনের সপ্তাহের পরের সপ্তাহে আমরা জিনিসটার একটা নিষ্পত্তি দেখব ইনশাল্লাহ।’  

মন্ত্রী জানান, বাড়তি সময় পেলে উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদার করবে সরকার।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘তিন বছর সময় বাড়ালে এই সময়টাকে ঠিক কীভাবে কাজে লাগাব তার একটা একশ প্ল্যান আমরা করেছি।’  

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। বলেন, তিন বছর সময় বাড়লে, কার্যকর পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি। 

বিএফটিআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোস্তফা আবিদ খান বলেন, ‘২০২৯ সালেও যদি আমরা এলডিসি উত্তরণ করি এবং তিন বছর এক্সটেনশন কার্যকরী হয়, তাহলে ২০৩২ সাল পর্যন্ত কাজ করার সুযোগটা পাব।’ 

আলোচকরা বলেন, দেশে উৎপাদিত পণ্য বিক্রির জন্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এবং রপ্তানির জন্য বিদেশি বাজারে প্রবেশাধিকার দুটোই নিশ্চিত করতে হবে।