মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রভাবে জ্বালানি আমদানিতে অতিরিক্ত ৪০ লাখ ডলার ব্যয় হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিকল্প উৎস হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে চায় সরকার বলে জানিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, এ খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণে কার্যকর নীতিমালা ও ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাও জরুরি।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তরের লক্ষ্যে মঙ্গলবার রাজধানীতে শুরু হয়েছে তিন দিনের রিনিউয়েবল এনার্জি ফেস্ট। এতে অংশ নিয়েছেন দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা।
দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত নিশ্চয়তা পেলে এ খাতে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়বে বলে মনে করছে উৎসবে আগত বিদেশি বিনিয়োগকারীরা।
এশিয়া-প্যাসিফিক রিনিউয়েবল এনার্জি কাউন্সিলের সহকারী প্রধান নির্বাহী স্কট হ্যামিলটন বলেন, ‘সরকার আমাদের পরামর্শগুলো শুনেছে, বেশকিছু কার্যকর পদক্ষেপও আমরা দেখছি। দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত নিশ্চয়তা পেলে, আশা করছি এখাতে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়বে।’
বুয়েট আইইএসডি পরিচালক আলী আহমেদ শওকত চৌধুরী বলেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জাম আমদানিতে শুধু শুল্কছাড় নয়, সৌর প্যানেল, ব্যাটারি ও অন্যান্য যন্ত্রপাতির ই-বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগও প্রয়োজন।’
জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য সংকটে জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ। তাইতো নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে নীতিগত সহায়তা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে আইন করছে সরকার।’
দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার ৯৬ শতাংশেরও বেশি এখনো জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের।’