নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক থেকে বাড়তি ঋণ নিচ্ছে সরকার

নতুন পে স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের বেতন দিতে ব্যাংক থেকে বাড়তি ঋণ নিচ্ছে সরকার। ডাকা হয়েছে ট্রেজারি বন্ডের নিলামও। এটাকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবেই দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, অতিরিক্ত ঋণ অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়াবে। এদিকে নতুন কাঠামোয় বেতন দেওয়া রোববার থেকে শুরু হলেও নানা জটিলতায় তা পাবেন না দুই লাখের বেশি চাকরিজীবী।

নতুন পে স্কেল অনুযায়ী পহেলা নভেম্বর থেকে সরকারি কর্মচারীদের বেতন দেওয়া শুরু করছে সরকার। এ জন্য রাজস্ব আয় বাড়িয়ে অর্থ সংকুলানের কথা বলেছিল সরকার। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন, উল্টো ব্যাংক খাত থেকেই বিপুল পরিমাণ টাকা ধার করতে হচ্ছে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘ট্রেজারি বিল-বন্ড বিক্রির মাধ্যমে সরকারের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বন্ডের সুদহারও বেড়েছে। এছাড়া প্রচলিত বিল-বন্ডের পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক সুকুক ছাড়ার উদ্যোগও নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।’

অর্থনীতিবিদ এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, ‘রাজস্ব আদায় না বাড়ায় ক্রমাগতভাবে ঋণ নির্ভর হচ্ছে সরকার। যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য সুখকর নয়।’ 
  
নতুন বেতন কাঠামোয় চার মাসের বকেয়াসহ বর্ধিত বেতন পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। তবে ১৪ লাখ কর্মচারীর মধ্যে প্রায় দুই লাখ কর্মীর অনলাইন বেতন নির্ধারণের কাজ শেষ হয়নি। তাই তারা আপাতত পুরোনো স্কেলেই বেতন পাবেন।