সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে ইতিবাচাক ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। এসময়, ডিএসইর প্রধান সূচক বেড়েছে ৩৭ দশমিক এক তিন পয়েন্ট। তবে লেনদেন এখনও রয়েছে ৩০০ কোটির ঘরে। শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ৫১ ভাগ কোম্পানির। এদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক বেড়েছে ২৩ দশমিক আট দুই পয়েন্ট।
বুধবার দিনের শুরুতে ইতিবাচক ছিলো ঢাকার শেয়ার বাজার। প্রথম ২০ মিনিটে প্রধান সূচক বাড়ে ৮ পয়েন্ট। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় সূচকের উত্থান পতন। দিনশেষে ডিএসইএক্স সূচক ৩৭ দশমিক এক তিন পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৭৭৬ পয়েন্টে।
সূচকের সঙ্গে ডিএসইতে কিছুটা বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণও। আজ মোট লেনদেন হয় ৩২৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। আগের দিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে ১৪ কোটি ২০ লাখ টাকা।
হাতবদলে অংশ নেওয়া ৩৯৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২০২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের। কমেছে ১১২টি এবং অপরিবর্তিত ৮২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর।
সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথম বিচ হ্যাচারি, দ্বিতীয় লাভেলো, তৃতীয় অবস্থানে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস। শতাংশের দিক থেকে দর বৃদ্ধির তালিকায় প্রথম সেন্টাল ইন্সুরেন্স, দ্বিতীয় জাহিন স্পিনিং, তৃতীয় অবস্থানে এ্যাপেক্স ফুডস্।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক সূচক ২৩ দশমিক আট দুই পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৩ হাজার ২৬৯ পয়েন্টে। লেনদেন ২৬ কোটি ১২ লাখ টাকার শেয়ার।