বিদায়ী সপ্তাহে দেশের দুই শেয়ারবাজারে সূচকের বড় উত্থানের পাশাপাশি টাকার অঙ্কে লেনদেনও বেড়েছে। ঢাকার বাজারে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৫৯ পয়েন্ট বেড়েছে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে। এ সময় ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ১০ হাজার কোটির বেশি টাকা।
অনেক দিন পর বিদায়ী সপ্তাহে ৫ কার্যদিবসই ইতিবাচক ছিল ঢাকার শেয়ারবাজার। সপ্তাহ শেষে, ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ১৫৯ দশমিক ১৩ পয়েন্ট। এর ফলে ডিএসইএক্স সূচক পাঁচ হাজার পয়েন্টের ঘর অতিক্রম করে ৫ হাজার ২৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। বেড়েছে অন্য দুটি সূচকও।
এ সময় বেড়েছে লেনদেনের গতিও। বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ২ হাজার ৬২৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়, যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ১ হাজার ৯৮৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ, লেনদেন বেড়েছে ৬৩৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা।
বেড়েছে বাজার মূলধনও। সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর বাজারমূলধন ছিল ৬ লাখ ৮১ হাজার ৯৭৪ কোটি টাকায়। শেষ কার্যদিবসে মূলধন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯২ হাজার ১৩৩ দশমিক ৩৮ কোটি টাকা। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ১০ হাজার ৩৩৯ দশমিক ৩০ কোটি টাকা, যা প্রায় ১ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি।
বিদায়ী সপ্তাহে হাতবদলে অংশ নেওয়া মোট ৩৭৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৩৩৫টির, কমেছে ১২টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর।
সপ্তাহজুড়ে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথম অবস্থানে ছিল খান ব্রাদার্স, দ্বিতীয় শাহজিবাজার পাওয়ার এবং তৃতীয় অবস্থানে ওরিয়ন ইনফিউশন।
শতাংশের দিক থেকে দর বৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে ছিল রিজেন্ট টেক্সটাইল (শেয়ার দর বেড়েছে ৪৪ শতাংশের বেশি), দ্বিতীয় নূরানী ডাইং এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে অ্যাপোলো ইস্পাত।
অন্যদিকে, বিদায়ী সপ্তাহে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সার্বিক সূচক ৩৯৫ দশমিক ১২ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৩৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সপ্তাহজুড়ে মোট লেনদেন হয়েছে ১১০ কোটি ৯২ লাখ টাকা।