শেয়ারবাজার: সপ্তাহজুড়েই কমেছে সূচক ও লেনদেন

বিদায়ী সপ্তাহে দেশের দুই শেয়ার বাজারই ছিল নেতিবাচক আবস্থায়। সপ্তাহজুড়েই কমেছে সূচক ও লেনদেন। ঢাকার শেয়ারবাজারে দর হারিয়েছে ৮৬ ভাগ কোম্পানির শেয়ার। এতে গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারে সার্বিক সূচক হারিয়েছে ২৪৭ পয়েন্ট। 

বিজয় দিবসের ছুটি থাকায় বিদায়ী সপ্তাহ ৪ কার্যদিবস লেনদেন হয় শেয়ারবাজারে। পুরো সপ্তাহই নেতিবাচক ছিল ঢাকার শেয়ারবাজার। এতে সপ্তাহ শেষে ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ১৩২ দশমিক চার দুই পয়েন্ট। অবস্থান করছে ৪ হাজার ৮৩১ পয়েন্টে। কমেছে অন্য দুটি সূচকও। 

এসময় কমেছে লেনদেনের গতিও। গত সপ্তাহে ডিএসইতে ১ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন ছিল ২ হাজার ৮৮ কোটি টাকা লেনদেন হয়। অর্থাৎ লেনদেন কমেছে ৫৩৯ কোটি টাকা।  

কমেছে বাজার মূলধনও। সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর বাজারমূলধন ছিল ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা। শেষ দিনে দাড়ায় ৬ লাখ ৭৫ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকায়। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ১০ হাজার ৫০২ কোটি টাকা।
 
বিদায়ী সপ্তাহে হাতবদলে অংশ নেওয়া ৩৮৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে মাত্র ৩২টির, কমেছে ৩৩৫টির এবং অপরিবর্তিত আছে ২২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর।

সপ্তাহজুড়ে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথম অবস্থায় উঠে এসেছে ফাইন ফুডস, দ্বিতীয় ডমিনেজ স্টিল, তৃতীয় ওরিয়ন ইনফিউশন।

শতাংশের দিক থেকে দর বৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে বঙ্গজ, শেয়ার দর বেড়েছে প্রায় ১৫ শতাংশ। দ্বিতীয় রিলায়েন্স ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ড এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে সিএপিএম মিচ্যুয়াল ফান্ড।

অন্যদিকে, বিদায়ী সপ্তাহে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ সার্বিক সূচক ২৪৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৩ হাজার ৬২৪ পয়েন্টে। সপ্তাহজুড়ে মোট লেনদেন ২৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা।