দেশের দুই শেয়ারবাজারে দরপতন অব্যাহত আছে। গত ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ৮ দিনই শেয়ারবাজারে সূচকের পতন হয়েছে। আজ সোমবারও নেতিবাচক এই চক্র থেকে বের হতে পারেনি ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
আজ ডিএসই’র প্রধান সূচক ১৬ দশমিক ২ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫৯৮ পয়েন্টে নেমে এসেছে। লেনদেন নেমেছে চারশো কোটি টাকার ঘরে। প্রায় ৫০ ভাগ কোম্পানির শেয়ার দরই ছিল নিম্নমুখী। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক কমেছে ২১ পয়েন্টের বেশি।
ঢাকার শেয়ারবাজারে গেল ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ৮ দিন সূচকের পতন হয়েছে। এতে ১০ দিনে ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ২১৬ পয়েন্ট। আজ সোমবার সারাদিন নেতিবাচক অবস্থায় ছিল ঢাকার শেয়ারবাজারে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে সূচকের পতন। দিনশেষে ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ১৬ দশমিক দুই পয়েন্ট। অবস্থান করছে ৫ হাজার ৫৯৮ পয়েন্টে।
সূচকের সাথে কমেছে লেনদেনও। আজ লেনদেন হয়েছে ৪৭৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৪০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা কম। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৯ টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১২৮টির এবং দর কমেছে ১৯২টির। অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর।
সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় শীর্ষে আছে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে আছে যথাক্রমে সায়হাম কটন ও সায়হাম টেক্সটাইল।
এদিকে, শতাংশের দিক থেকে দর বৃদ্ধির তালিকায় প্রথমেই আছে ফিনিক্স ফাইন্যান্স। দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে আইসিবি এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে জিবিবি পাওয়ার।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক কমেছে ২১ দশমিক ৬৭ এবং লেনদেন হয়েছে মোট ১৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।