ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটের কারণে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আজ সোমবার ২য় দিনের মতো বন্ধ ছিল আমদানি-রপ্তানি। তবে স্বাভাবিক রয়েছে দুই দেশের যাত্রীদের পারাপার।
বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানান, সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে ট্রাক প্রতি ১০ থেকে ১৫ মেট্রিক টন ওজন কমিয়ে দিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৬ চাকার ট্রাকে ২০ টন এবং ১০ চাকার ট্রাকে ৩০ মেট্রিক টন পণ্য পরিবহনের সীমা নির্ধারণ করা হয়।
এর প্রতিবাদে ভারতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে হিলি বন্দরের ব্যবসায়ীদের সংগঠন ধর্মঘট পালন করছেন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এতে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে অতিরিক্ত খরচের বোঝা তৈরি হচ্ছে ।
এর ফলে বাণিজ্য কমে আসার ঝুঁকি রয়েছে। সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।



