মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় বরাদ্দ বাড়লেও কমেছে জিডিপির ভাগ

প্রস্তাবিত বাজেটে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় টাকার অঙ্কে বরাদ্দ বাড়লেও জিডিপি ও মোট বাজেটের শতাংশ হার বিচারে তা কমেছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আগামী ২০২৪–২৫ অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর করা প্রস্তাবে এমনটাই দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে করা বাজেট প্রস্তাবে অর্থমন্ত্রী আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় ৪৪ হাজার ১০৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেন। এটি চলমান ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ছিল ৪২ হাজার ৮৩৯ কোটি টাকা। এ হিসাবে প্রস্তাবিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ বেড়েছে।

তবে মোট বাজেটের আকারের সাথে বিবেচনা করলে শতাংশের হারে এ বরাদ্দ কমেছে। চলতি অর্থবছরের ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেটের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় বরাদ্দ ৪২ হাজার ৮৩৯ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ৫ দশমিক ৬২ শতাংশ। আর মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির হিসাবেও বরাদ্দ কমেছে। ২০২৩–২৪ অর্থবছরে জিডিপির আকার ৫০ লাখ ৪৮ হাজার ২৭ কোটি টাকা। এই হিসাবে এই খাতে বরাদ্দ ছিল মোট জিডিপির শূন্য দশমিক ৮৪৮ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেট ও জিডিপির প্রাক্কলিত আকার বিবেচনায় দুই ক্ষেত্রেই শতাংশের হারে বরাদ্দ কমেছে, যা যথাক্রমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫৩ ও শূন্য দশমিক ৭৮৮ শতাংশ।

এ ছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য রাখা হয়েছে ১১ হাজার ৭৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ৬০২ কোটি টাকা।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় জাতীয় সংসদে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর অনুমতি নিয়ে মন্ত্রী তাঁর বক্তব্য শুরু করেন।

এর আগে বিশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উত্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার এ বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।