পরীক্ষায় নকল যেমন কালার (রঙ) পরিবর্তন করছে, আমাদেরকেও আইনগতভাবে কালার পরির্তন করতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ মঙ্গলবার দুপুর ৩টায় বরিশাল সিটি কপোররেশনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে শিক্ষা মন্ত্রী এ কথা বলেন।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘নকল শব্দটি আপাদত নেই। নকল মূলত উঠে গিয়েছে। আমি নকলের দাফন করেছি, নকলের চল্লিশা খেয়েই মন্ত্রনালয় থেকে বিদায় নিয়েছি। নকলের কিছুটা মডেল পরিবর্তন হয়েছে। নকলের বিষয়ে কেবিনেটে উত্থাপন করেছি। সংসদের মাধ্যমে আইন পাস হবে। নকল যেমন কালার পরিবর্তন করছে, আমাদেরও কালার পরির্তন করতে হবে আইনগতভাবে। এখন আর কাগজ দিয়ে নকল হয় না, ডিজিটাল মাধ্যম এআই উত্তর দিয়ে দিচ্ছে।’
এর আগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠ, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত করার লক্ষে বেলা ১১টায় বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা বোর্ড কারিগরি বোর্ডের বরিশাল অঞ্চলের আওতাধীন কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন শিক্ষামন্ত্রী।
মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বরিশাল মাধ্যমবক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
এ সময় মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সহযোগীতা করার জন্য শিক্ষকদের আহ্বান জানান। আগামীতে সুন্দর পরিবেশে যাতে পরীক্ষা হয় সে দিকে নজর রাখারও পরামর্শ দেন তিনি।
শিক্ষকদের অবসর ভাতা কল্যান ট্রাষ্ট নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষকেরা অবসর ভাতা, কল্যাণ ট্রাস্ট ২০২২ সাল থেকে পাচ্ছেন না। শিক্ষকদের ৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বিগত সরকার। এই বিশাল অংকের টাকা আসতে সামনের বাজেট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কাঠামোগত যে পরিবর্তন করা দরকার এরই মধ্যে তা করা হয়েছে। বিএনপি সরকারের সময়ে শিক্ষকদের জন্য উৎসব ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু বিগত ১৭ বছরে এক টাকাও আর বাড়েনি।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকার এনটিআরসি গঠন করেছিল। কিন্তু বিগত সরকার এটিকে দুর্নীতির আখরা বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বর্তমানে এনটিআরসির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষক বদলি সব এখন এনটিআরসিতে নিয়ে আসা হয়েছে।’
এর আগে সকাল ১০টায় বরিশালের সকল দপ্তরের প্রশাসনের সাথে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী।