সম্প্রতি প্রচারে এসেছে সালমান খানের জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো বিগ বস সিজন-১৯’র ‘উইকেন্ড কা ওয়ার’ পর্ব। আর তা ঘিরে রীতিমতো সরগরম সামাজিকমাধ্যম। সালমানের মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। অনেকেই ধারণা করছেন যে, বিগ বস প্রতিযোগীকে উদ্দেশ্য করে বলা একটি কথা নাকি শুধু তাঁকেই বলা হয়েছে—এমনটা নয়। বরং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যে আলোচনা চাউর হয়েছে, সেই দিকেই খোঁচা দিয়েছেন সালমান!
উইকেন্ড কা ওয়ার পর্বে প্রতিযোগী ফারহানাকে একহাত নেন সালমান। এই প্রতিযোগীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, বিগ বস’র অন্দরমহলে সবার মধ্যে তিনি বিবাদ সৃষ্টি করছেন! এর মূলে রয়েছে ফারহানার উসকানিমূলক নানা মন্তব্য। এ কথা কানে আসার পরই ফারহানাকে ভর্ৎসনা করেন সালমান।
ভাইজান বলেন, ‘যিনি সকলের মধ্যে শান্তি বজায় রাখেন, তিনিই আসলে শান্তির দূত। সকলের মধ্যে তিনি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সদ্ভাব বজায় রাখতে সাহায্য করে।’
যোগ করে অভিনেতা বলেন, ‘আর তিনি তো সারা দুনিয়ায় সবার মধ্যে অশান্তির জাল বুনছেন। এসব করে এখন শান্তির পুরস্কার চাইছেন?’
ব্যস! সালমানের এই কথাই যেন আগুনে ঘি ঢেলে দেয়। নেটিজেনরা বলছেন, ভাইজান বোধহয় এক ঢিলে দুই পাখি মেরেছেন! ফারহানাকে এমন কথা বলে তিনি মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই কটাক্ষ করেছেন।
অনেকেই মনে করছেন, বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করে নোবেল পুরস্কারের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প যেভাবে নিজেকে তুলে ধরছেন, সেজন্যই হয়তো নাম উল্লেখ না করে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে কটাক্ষ করেছেন সালমান! যদিও এই জল্পনার বিষয়ে ভাইজান এখনও কোনো মন্তব্য করেননি।
ইতিমধ্যেই বিগ বস সিজন-১৯’র সেই মুহূর্তের ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। মজা করে কেউ তাতে মন্তব্য করছেন, ‘ট্রাম্পের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছি।’ আবার কেউ বলছেন, ‘এবার যেন সালমানের ইউএস যাওয়ার ভিসা বাতিল না হয়!’ এমন নানা মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া