পুরনো স্ট্যাটাসের ছবি পোস্ট করে পরী মণি লিখেছেন, ‘‘নিশ্চয়ই এই স্ট্যাটাসের কথা মনে আছে অনেকেরই। সে সময়ও রাজ পাঁচ দিনের মাথায় বাসায় ফিরে আমার ফেসবুক থেকে এটা ডিলেট করে দিয়েছিল। তারপরও এসব ঘটনা সে পুনরাবৃত্তি করে গেছে বারবার। ‘সরি’ বলা, না খেয়ে থাকা, পা ধরে মাফ করে দাও আর হবে হবে না, এমনকি সুইসাইডের মতো হুমকিতেও ব্লাকমেইলের শিকার হতে হয়েছে আমাকে। একই রকম ভুলের ক্ষমা কতবার করা যায় আমি জানি না।’’
জানান এসব কিছুর পরেও একটা স্বাভাবিক সম্পর্ক চেয়েছিলেন পরী মণি। রাজকে ‘ভয়ংকর’ হিসেবে অভিহিত করেন নায়িকা।
তার ভাষ্য, ‘‘আমি শুধু সব ভুলে সুন্দর, স্বাভাবিক একটা পারিবারিক সম্পর্ক চেয়েছিলাম। কিন্তু সে কখনোই এই সম্পর্কটাকে ‘ওউন’ করেনি। সবার সামনে ‘আমার বউ, আমার বাচ্চা’ করে বেড়ানো ভয়ংকর একজন মানুষ সে। যে কিনা এই সম্পর্কটাকে শুধু নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে গেল প্রতিনিয়ত।’
বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে পরী বলেন, ‘আমি তাকে অফিসিয়ালি ডিভোর্স দিয়েছি। এটাও তাকে আমার একপ্রকার ক্ষমা করে দেওয়া। না হয় সে আমার সাথে যে অন্যায়গুলো করেছে, তাতে তার জেল হওয়ার কথা।’
ছেলে রাজ্যর যাবতীয় খরচ পরী নিজে বহন করবেন বলে জানান। তাঁর মতে, ‘আমার ছেলের যাবতীয় খরচ, মানে ভরণপোষণ থেকে আগামীতে পড়াশোনা—যা কিছু আছে, সব আমি বহন করব; এতদিন যেভাবে করেছি। বাচ্চার ফুল গার্ডিয়ানশিপ এখন তার মায়ের। এ বিষয়ে যা কিছু বলার আমার আইনজীবীরা বলবেন।’
প্রসঙ্গত, ‘গুণিন’ চলচ্চিত্রের সেটে বিয়ে করেছিলেন রাজ-পরী। ২০২২ সালের ২১ জানুয়ারি হলুদ অনুষ্ঠানের পর ২২ জানুয়ারি রাতে জমকালো আয়োজনে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান হয়। অতিথির তালিকায় ছিলেন তিন নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম, চয়নিকা চৌধুরী ও রেদওয়ান রনি। সঙ্গে দুই পরিবারের স্বজনরা।