ঈদ বিশেষ—তারার হল স্মৃতি

সকালবেলা হলে ঢুকে ছিলাম, শেষ করেছিলাম রাতে: সাইমন 

তখন বয়সটা একদম কম। আমাদের কিশোরগঞ্জে চারটি সিনেমা হল ছিল—মানসী রংমহল, ইউনিভার্সাল ও  নীলভিউ টকিজ। নব্বই দশকে অনেক সিনেমা মুক্তি পেত। ভাবলাম সিনেমা দেখি। একেবারে মর্নিং শো থেকে শুরু হয়। একবার সিনেমা হলে ঢুকলাম। প্রথমটা দেখার পর মনে হলো, বাকি হলেও দেখি। চারটা হলেই চার শো দেখি। মাথা একদম ঘোরাচ্ছিল। ঘোরাচ্ছিল মানে একদম ঘোরাচ্ছিল।

‘ভন ভন’ করছিল। পরে ভাবলাম, আহা, সিনেমা দেখে পুরো ঈদের দিনটি শেষ করে দিলাম! সম্ভবত তখন সেভেন, এইটে পড়ি। আমার সঙ্গে দুই বন্ধু ছিল। তারাও সারাদিন-রাত ছবিগুলো দেখল। যতদূর মনে পড়ে মান্না ভাইয়ের দুটা ছবি দেখেছিলাম। 

বন্ধু-স্বজনদের সঙ্গে সাইমনের ঈদ আনন্দ। ছবি সাইমনের সৌজন্যেআসলে তখন দিনগুলোই ছিল এমন। শবে বরাত, কদরে রাত জাগার অনুমতি ছিল। বাইরেও থাকা যেত। ঈদের দিন তো কথাই নাই। তখন তো ফোনের যুগ ছিল না, অন্যকিছু ছিল না। বিশ্বাসটাই ছিল। তাই পরিবার থেকেও সমস্যায় পড়তে হয়নি।