জননন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে আয়োজন করা হয় দিনব্যাপি মিলাদ মাহফিল। পাশাপাশি এতিমদের মাঝে বিতরণ করা হয় খাবার। দূর-দূরান্ত থেকে প্রিয় লেখককে শ্রদ্ধা-ভালোবাসা জানাতে আসেন ভক্তরা।
বৃষ্টি আর সবুজ ভীষণ ভালোবাসতেন হুমায়ূন আহমেদ। তাঁর প্রয়াণের দিনে যেন সেকারণেই অঝোর বৃষ্টি। বৃষ্টি উপেক্ষা করে সকাল থেকেই নুহাশ পল্লীর লিচুতলায় ভিড় করেন হুমায়ূন আহমেদের স্বজন, ভক্ত ও কবি-লেখকদের। তারা প্রিয় মানুষটির কবরে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।
ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা জানান, হুমায়ূন আহমেদ তাঁর সৃষ্টির মাধ্যমেই বেঁচে থাকবেন যুগ যুগ। অনেকে জানান, তাদের বই পড়ার শুরুটা হয়েছে হুমায়ূন আহমেদের বই পড়ে। হুমায়ূন আহমেদ শুধু লেখক হিসেবে নন, পরিচালক হিসেবেও বেঁচে থাকবেন সবার মাঝে।
দুই ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে লেখকের কবরে শ্রদ্ধা জানান তাঁর স্ত্রী অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। শাওন বলেন, ‘কারও কাছে কোনো চাওয়া নেই। যতদিন বেঁচে থাকব, নুহাশ পল্লীর একজন কর্মীও বেঁচে থাকবে কিংবা আমার সন্তানেরা থাকবে ততদিন দিবসটি পালন করে যাব।’
১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় কুতুবপুর গ্রামে জন্মেছিলেন নন্দিত কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ২০১২ সালের এইদিনে নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁর।



