মঙ্গলবার (৪ জুন) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে সীমানার প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয় চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে। এতে উপস্থিত ছিলেন সীমানার দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা। চ্যানেল আইতে সীমানার মরদেহ নিয়ে এলে সেখানে তৈরি হয় শোকাবহ পরিবেশ। দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা অভিনেত্রীকে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সেসময় অভিনেত্রীর দুই ছেলে শ্রেষ্ঠ ও স্বর্গও ছিল সেখানে। দিব্যি ছোটাছুটি করে বেড়াচ্ছে, খেলাধুলা করছে। তাদের মা যে আর নেই—সেটা এখনও বুঝে উঠতে পারেনি এ দুই অবুঝ শিশু! মায়ের ছবির পাশে দাঁড়িয়ে দুষ্টুমিতেও মেতে ছিল তারা। সদ্য মা হারা দুই সন্তানকে দেখে অনেকেই হয়ে উঠেছিলেন অশ্রুসজল!
এর আগে, চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে সীমানার মরদেহবাহী গাড়ি আসতেই শ্রেষ্ঠ ও স্বর্গ দৌড়ে যায়। জানাজার জন্য যখন মরদেহ নামানো হয়, শ্রেষ্ঠ বারবার দৌড়ে যেতে চাইছিল মায়ের কাছে। দেখতে চাইছিল মায়ের মুখ।
মায়ের কথা জিজ্ঞেস করতেই শ্রেষ্ঠর জবাব, ‘মায়ের ইচ্ছে ছিল আমাকে ক্যাডেটে পড়াবে। কিন্তু মা তো মারা গেছে, আমার আর ভালো লাগছে না।’
জানাজা শেষে সীমানার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় গ্রামের বাড়ি শেরপুর জেলার নকলা উপজেলায়।
উল্লেখ্য, ভালোবেসে ২০১৪ সালের ৪ জুন কণ্ঠশিল্পী পারভেজ সাজ্জাদকে বিয়ে করেন সীমানা। ২০১৬’র ১১ ডিসেম্বর প্রথম সন্তান আকাইদ সাজ্জাদ শ্রেষ্ঠর বাবা-মা হন তাঁরা। সংসারজীবনে বনিবনা না হওয়ায় ২০১৯ সালের মার্চে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। বড় ছেলে শ্রেষ্ঠ থেকে যায় সীমানার কাছেই।
এরপর ২০১৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর সীমানা বিয়ে করেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জামায়েল ইমতিয়াজ সৈকতকে। তাঁদের ঘর আলোকিত করে ২০২০ সালের ২৭ জুন জন্ম নেয় পুত্রসন্তান স্বর্গ।