বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় রিমালে রূপ নিয়েছে। পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আঘাত হানতে পারে রোববার সন্ধ্যায়। তবে দুপুর থেকেই এর অগ্রভাগের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হতে পারে উপকূলীয় এলাকা।
শনিবার সাংবাদিকদের এসব তথ্য দেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান খান।
আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান খান বলেন, ‘বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় রিমাল বাংলাদেশ উপকূল থেকে ৪০০ থেকে ৪৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছে। আরও শক্তিশালী হয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। এর গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। তবে, ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হতে পারে। উপকূলীয় জেলাগুলোতে ৩-৫ ফুট বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাস হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঝড়ের প্রভাবে ঢাকার দক্ষিণের বেশকিছু এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আগামীকালও ঢাকায় বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’
আবহাওয়াবিদ বলেন, ‘আগামীকাল দুপুর থেকে ঝড়ের অগ্রভাগ উপকূলের দিকে অগ্রসর হবে, সন্ধ্যায় উপকূলে আঘাত হানতে পারে। সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের কুয়াকাটার খেপুপাড়া দিয়ে উপকূলে প্রবেশ করবে বলে গতিবেগ দেখে মনে করা হচ্ছে।’
আব্দুর রহমান খান বলেন, ‘বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। আজ শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এটি শক্তি সঞ্চয় করে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়।’
এসময় তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টির হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া সাতক্ষীরা ও খুলনা এলাকার সুন্দরবনে আঘাত হানতে পারে।
আরও পড়ুন: