শনিবার থেকে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। বান্দরবান ও কক্সবাজারে তলিয়েছে সড়ক। বিপৎসীমার ওপরে বইছে সাঙ্গু, মাতামুহুরী নদী। ভারতের মেঘালয়, ত্রিপুরা ও অরুণাচলে অতিভারী বৃষ্টির কারণে ঝুঁকিতে সিলেট বিভাগের ৪টিসহ ১৫টি জেলা। এদিকে, রোববার পর্যন্ত অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
একে বর্ষাকাল, তার ওপর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের প্রভাব। দুইয়ে মিলে ভারী বৃষ্টিতে নাকাল বিভিন্ন স্থানের মানুষ।
২৫০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়েছে চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহে। ডুবে গেছে নিম্নাঞ্চল। বন্যা আক্রান্ত কক্সবাজার ও বান্দরবান।
ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম, ফেনী, ময়মনসিংহ ও রংপুরের কয়েকটি নদীর পানি বেড়েছে। ১৫ জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বলেন, ‘শনিবারের মধ্যে পানি কমতে শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে উজানে আরও বৃষ্টিপাত হলে নদীর পানি বেড়ে কিছু নিম্নাঞ্চল বা বাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি প্রবেশের আশঙ্কা থাকতে পারে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’
ভারতে মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে অতি ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে, সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জে দেখা দিয়েছে স্বল্পমেয়াদি বন্যার ঝুঁকি।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে রোববার পর্যন্ত চলবে ভারী বৃষ্টি।
আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে রোববার পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে ভারী বৃষ্টিপাত। এরপর স্বাভাবিক হতে শুরু করবে পরিস্থিতি।
এদিকে, তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছাড়াতে পারে বলে সতর্কতা দেয়া হয়েছে। ফলে নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও কুড়িগ্রামের কিছু এলাকায় বন্যা হতে পারে।