দুধকে বলা হয় আদর্শ খাবার। তবে স্বাদ পছন্দ হলেও অনেকেই ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স ও অন্যান্য হজমজনিত সমস্যার কারণে গরুর দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খেতে পারেন না।
আসুন জেনে নিন, গরুর দুধের সাত বিকল্প -
কাঠবাদামের দুধ
আমাদের দেশে ততটা প্রচলিত না হলেও পশ্চিমা বিশ্বে ইদানীং আমন্ড মিল্ক বা কাঠবাদামের দুধ ভীষণ জনপ্রিয়। ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ আমন্ড মিল্কে ক্যালরির মাত্রা খুবই কম। হেলথ রিপোর্টস অনুসারে, এক কাপ কাঠবাদামের দুধে ১ গ্রাম প্রোটিন, ৩ গ্রাম ফ্যাট এবং প্রায় ৪০ ক্যালরি রয়েছে। তবে কারও কাঠবাদামে অ্যালার্জি থেকে থাকলে এই দুধ এড়িয়ে যাওয়া শ্রেয়।
সয়া দুধ
প্রোটিন কন্টেন্টের দিক দিয়ে গরুর দুধের সঙ্গে বেশ মিল রয়েছে সয়া মিল্কের। এক কাপ সয়া দুধে ১৩১ ক্যালরি এবং ৪.৩ গ্রাম চর্বি থাকে। তবে গেঁটে বাতে ভুগছেন এবং অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করছেন, এমন কারও সয়া দুধ পান করা উচিত নয়।
নারকেলের দুধ
ডেজার্ট কিংবা ঝোলজাতীয় খাবারে নারকেলের দুধ দিলে একটা ক্রিমযুক্ত টেক্সচার চলে আসে। নারকেলের দুধে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন রয়েছে। কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে নারকেলের দুধ এড়িয়ে চলুন।
ওট মিল্ক
ওট মিল্ক খেতে খানিকটা মিষ্টি স্বাদের। এ দুধ সকালের নাস্তায় বা কফিতে যোগ করার মতো আইটেম। এক কাপ ওট মিল্ক আপনাকে ১২০ ক্যালরি, ৩ গ্রাম প্রোটিন এবং ১৬ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট সরবরাহ করবে। ডায়াবেটিক রোগীদের এটি খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
চালের দুধ
আমাদের দেশে রাইস মিল্ক বা চালের দুধের বাণিজ্যিক উৎপাদন হয় না। এটি খুব হালকা এবং প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি স্বাদের। সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ডায়েটারি ফাইবার, এমনকি আয়রনও রয়েছে এই দুধে। এই দুধও ডায়াবেটিক রোগীদের এড়িয়ে চলা উচিত।
কাজুবাদামের দুধ
বাদামের মতোই দারুণ মজাদার এই দুধ যেকোনো খাবারের স্বাদ বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে। তবে এই দুধের মাত্র এক কাপে ৪২ ক্যালরি থাকে। প্রচুর পরিমাণে চর্বিও রয়েছে এতে, তাই আপনার যদি কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকে তবে কাজুবাদামের দুধ এড়িয়ে চলুন।
মটরের দুধ
হলুদ রঙের মটর থেকে তৈরি করা হয় এই পি মিল্ক বা মটরের দুধ। এতে অধিক প্রোটিন এবং ক্যালসিয়াম রয়েছে। পটাসিয়াম এবং সোডিয়াম সমৃদ্ধ মটরের দুধে ১০৩ ক্যালরি রয়েছে। উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস হিসেবে এই দুধকে বিবেচনা করা হয়।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
আরও পড়ুন: