বর্তমানে ওজন কমানোর দিকে ঝুঁকছেন অনেকেই। ডায়েট এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ওজন কমাবেন, কিন্তু খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে যদি কোনো নিয়ম মেনে না চলেন, তবে ওজন বাড়বেই। তাই প্রতিদিন কী খাচ্ছেন তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
প্রতিদিন আমরা হরহামেশাই অনেক পানীয় পান করে থাকি। অনেক সময় এসব পানীয়ের গুণাবলী না জেনেই তা পান করি। পুষ্টিগুণ জেনে যদি পানীয় পান করা হয়, তবে তা স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াবে না।
তবে, খাবারের ক্ষেত্রে সকালে কী খাচ্ছেন, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ সকালের খাবার সারাদিনের কাজের উপর প্রভাব ফেলে। সকালে কিছু পানীয় পান করলে সারাদিন আপনি সুস্থ থাকবেন। তাই সকালটা শুরু করতে পারেন কিছু পানীয় পানের মাধ্যমে।
আসুন জেনে নিন, কোন ৫টি পানীয় সকালে পান করলে স্বাস্থ্যের জন্য উপকার হবে।
১. প্রতিদিন সকালে হালকা গরম পানিতে পাতিলেবুর রস এবং মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন। এই পানীয় বদহজমের সমস্যা ও ওজন কমাতে সাহায্য করবে। এ ছাড়া পাতিলেবুর রস আমাদের শরীরে জমে থাকা দূষিত পদার্থ বের করে দিতে সহযোগিতা করবে।
২. গ্রিন টি গুণের কথা আমরা সবাই কমবেশি জানি। গ্রিনটিতে আছে অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। আবার গ্রিন টি হজমশক্তি ভালো করার পাশাপাশি আপনার ওজনও কমাবে। ফলে বাড়তি মেদ তাড়াতাদি কমবে।
৩. আপনার সকালটা শুরু হতে পারে জিরার পানি পান করে। রাতে একগ্লাস পানিতে এক চা চামচ সাদা জিরা ভিজিয়ে রাখুন। সারারাত ভিজিয়ে রাখার পর সকালে সেই পানি ছাকনিতে ছেঁকে ফুটিয়ে নিন। এবার তাতে সামান্য লেবু মিশিয়ে পান করুন। শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বের করতে সহযোগিতা করে এই জিরা পানি।
৪. ওজন কমাতে দারুচিনি চা বেশ উপকারী। দারুচিনিতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। দারুচিনি চা ওজন কমাতেও সাহায্য করে। একটি পাত্রে পানি নিন। এরপর তাতে মেশান দারুচিনি ও তুলসী পাতা। চুলার আঁচ মাঝারি রেখে কিছুক্ষণ সেদ্ধ করুন। এরপর পাত্রটি ঢেকে রাখুন। পানি ফোটানো হলে এবার কাপে সে পানি ঢেলে তাতে লেবুর রস দিন। এটি পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করে।
৫. বাটার মিল্ক ডিহাইড্রেশনের জন্য একটি প্রাকৃতিক পানীয়। এই পানীয় হজমের কাজ সহজ করে। দুধের গুণাগুণসমৃদ্ধ খাবার হচ্ছে এই বাটার মিল্ক। এতে দুধের চেয়ে ফ্যাট কম থাকে। তাই দুধ হজম হতে যাদের সমস্যা, তারা প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, মিনারেলসমৃদ্ধ বাটার মিল্ক খেতে পারেন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া