হামে শুধু শিশু নয়, আক্রান্ত হচ্ছে বড়রাও। রাজধানীর ডিএনসিসি হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, চিকিৎসাধীন রোগীর ১৬ শতাংশের বয়স ১৫ বছরের বেশি। আর ৬ শতাংশের বয়স ৩০ বছরের ওপরে। হাসপাতালটিতে ২ জন প্রাপ্তবয়স্কর মৃত্যুও হয়েছে।
রাজধানীর মহাখালীর ডিএনসিসি হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ৪র্থ তলার হাম ওয়ার্ডে ভর্তি ইব্রাহিম মল্লিক নামের এক রোগীর বয়স ৩২ বছর। একই ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন কেয়া বিশ্বাস ও আব্দুল মালেক নামের দুজন রোগীর বয়সও ত্রিশের বেশি। তীব্র মাথাব্যাথা, মুখে ঘাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন এসব রোগীরা।
চিকিৎসকেরা বলছেন, ডিএনসিসি হাসপাতালে গত ১৭ মার্চ থেকে ২ জুন পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়েছে ৬ হাজার ৬৮২ জন। যাদের মধ্যে ৩০ বছরের বেশি বয়সী রোগী ৩৮৭ জন। আর ১৫ বছরের ওপরে রোগীর সংখ্যা ৬৭৯ জন।
হামকে শিশুদের রোগ বলা হলেও, প্রাপ্তবয়স্করাও আক্রান্ত হচ্ছেন এ ভাইরাসে। ডিএনসিসি হাসপাতাল প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডা.আসিফ হায়দার বলেন, ‘হামে আক্রান্ত হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় উল্লেখযোগ্যভাবে। তাই অসতর্ক হলে ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্তদের জটিলতার শঙ্কা বেশি।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে হামে আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে ৬ শ’র বেশি মৃত্যু হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই শিশু। এ পর্যন্ত সারা দেশে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ১৯১ জন। আর হামের উপসর্গ রয়েছে ৭৪ হাজার ৫৭২ জনের দেহে।