ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়ালো ৩০৩ জনে। আর একদিনে আক্রান্ত ২ হাজার ১৯৩ জন।
রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্ত ৯৯ হাজার ২৭৫ জন।
২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ১০৩০ জন আক্রান্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। অন্যান্য বিভাগের মধ্যে বরিশালে ২৩৬, চট্টগ্রামে ২৯৩, খুলনায় ৩০৪, ময়মনসিংহে ৭০, রাজশাহীতে ১৬০, রংপুরে ৮৪ ও সিলেটে ১৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
এদিকে, ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক নয়, সচেতন থাকার পরামর্শ চিকিৎসকদের। তারা বলছেন, জটিল কোনো লক্ষ্মণ না থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বাসায় চিকিৎসা নিয়ে ডেঙ্গু থেকে সেরে ওঠা সম্ভব। তবে তীব্র লক্ষ্মণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার বিকল্প নেই, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
সাধারণত মশা কামড়ানোর কয়েক দিন পর ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দেয়। প্রাথমিক লক্ষণের মধ্যে রয়েছে উচ্চ মাত্রার জ্বর, সারাগায়ে ব্যথা, মাথা ও চোখ ব্যাথা, ক্ষুধা কম লাগা, বমি। কারো কারো ক্ষেত্রে পাতলা পায়খানা, শরীর চুলকানো এবং লালচে দানা বা ফুসকুড়ি ওঠে।
তীব্র পেটব্যথা, নাক দিয়ে রক্ত পরা, বমির সাথে রক্ত যাওয়া, শ্বাসকষ্ট ও বুক ব্যথা, অতিরিক্ত দুর্বলতা, হঠাৎ রক্তচাপ কমে যাওয়া, খিঁচুনি বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ডেঙ্গুর ভীতিকর লক্ষ্মণগুলোর মধ্যে অন্যতম।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. নীহার রঞ্জন দাস বলেন, ‘বেশিরভাগ রোগী বাসায় চিকিৎসা নিয়ে ডেঙ্গু থেকে সেরে ওঠেন। প্রয়োজন পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং প্রচুর পানি ও তরল খাবার গ্রহণ। তবে, মারাত্মক লক্ষ্মণ দেখা দিলে দ্রুত যেতে হবে হাসপাতালে।’