মানসিক চাপ কমিয়ে চনমনে ভাব আনতে পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই। ভালো ঘুম সৃজনশীলতা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। আপনার মানসিক সুস্থতাই নয়, শারীরিক স্বাস্থ্যকেও প্রভাবিত করে ঘুম।
পর্যাপ্ত ঘুম আমাদের মস্তিষ্ককে শক্তিশালী করে। সজাগ ও মনোযোগী থাকার জন্য এর বিকল্প নেই। পর্যাপ্ত ঘুম হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।
এই প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞারা মনে করেন, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম দরকার। তবেই সুস্থ-সবল জীবনযাপন করা সম্ভব। না হলে পিছু নেবে হাজার রকমের জটিল অসুখ।
প্রাপ্তবয়স্কদের সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতি রাতে অন্তত ৭ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন। ইউএস সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের তথ্য অনুসারে, আমেরিকার প্রাপ্তবয়স্কদের এক তৃতীয়াংশেরও বেশি নিয়মিতভাবে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাচ্ছেন না।
ভালো ঘুমের অভ্যাস তৈরিতে আগে থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে পারেন।
- প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যান এবং উঠুন।
- বিছানায় যাওয়ার আগ মুহূর্তে ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন।
- বিকেল থেকেই নিকোটিন বা কফির মতো পানীয় এড়িয়ে চলুন।
- অ্যালকোহলকে একদমই না বলুন।
- ঘুমানোর ১ ঘণ্টা আগে থেকেই স্মার্টফোন বা টেলিভিশন থেকে দূরে থাকুন।
- আপনার শোয়ার ঘর অন্ধকার এবং ঠান্ডা রাখুন।
- ঘুমাতে যাওয়ার আগে উষ্ণ পানিতে গোসল করতে পারেন।
- মনকে শান্ত করে এমন গান শুনুন।