১৯৯৩ সালে ‘বাজিগর’ মুক্তির পর হিন্দি সিনেমার দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন কাজল। দাপুটে অভিনয়ের পাশাপাশি মিষ্টি হাসিতে দিনের পর দিন দ্যুতি ছড়িয়েছেন এই অভিনেত্রী।
তবে গত কয়েক বছরে অভিনয়ের পাশাপাশি গায়ের রং নিয়েও আলোচনায় থেকেছেন কাজল। ২০০৬ সালে ‘ফানা’ মুক্তির সময় প্রথম চোখে পড়ে যে, বদলে গেছেন কাজল! শ্যামবর্ণ আর জোড়া ভ্রুতে মন কেড়ে নেয়া আগের সেই কাজল কোথায় যেন হারিয়ে গেছেন! বলিপাড়ায় গুজব, অস্ত্রোপচার করে ফর্সা হয়েছেন কাজল!
কাজলের নিজের বক্তব্যে অবশ্য এমন কিছুর আঁচ পাওয়া যায়নি। ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার রনবীরের পডকাস্টে এসেছিলেন নায়িকা। রূপের রহস্য জিজ্ঞেস করতেই হাসিতে ফেটে পড়েন অভিনেত্রী। হাসির ছলেই জানান, স্বাস্থ্যবান ত্বকের জন্য শুধু বাহ্যিক যত্নের প্রতি নজর দিলেই হবে না। অভ্যন্তরীণ যত্নও সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
কাজল বলেন, চল্লিশের কোঠায় একবার পৌঁছে গেলে আপনি যাই করেন না কেন, কোনো ফায়দা নেই। আপনার ভেতরে কী চলছে, সেটি বাইরে থেকে আপনাকে দেখলেই প্রকাশ পেয়ে যাবে। বলা যায়, একপ্রকার ছাপ পড়ে যায় এবং আপনি ভেতরে যেমন, সেটি বাইরে থেকে বোঝা যায়।
আসলে জানেন তো অনেক মানুষই তাদের জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট নন। অনেকে নিজেদের জীবনের সিদ্ধান্তগুলো নিয়েও আফসোসে ভোগেন। এ সময় আপনি যদি এসব বিষয়ের সমাধান না করেন, তাহলে চল্লিশে পৌঁছাতে পৌঁছাতে তার ছাপ চেহারায় ফুটে উঠবেই। আর তাই আমি, বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ দুই ক্ষেত্রেই গুরুত্ব দিয়েছি, এমনটাই বলেন ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’র অঞ্জলি।
এই সঙ্গে প্রচুর পানি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কাজল। পাশাপাশি ভক্তদের চমকে দিয়েছেন দারুণ এক তথ্যে। তিনি বলেন, আমি প্রচুর পানি খাই। সেটিই একমাত্র মন্ত্র যা আমি মেনে চলি। আমার কাছে মনে হয়, ভালো ত্বকের জন্য এটি খুব দরকারি। এর পাশাপাশি রাতে আমি প্রায় ১০ ঘণ্টা ঘুমাই! বলুন, আপনি পারবেন এমনটি?
প্রসঙ্গত, ১৯৯২ সালে বেখুদি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় কাজলের। ভারতীয় সিনেমায় কৃতিত্বের জন্য এ পর্যন্ত ছয়টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন তিনি।