মুখে ব্রণ এড়াতে চাইলে মানুন এই ৫টি নিয়ম

বিশেষ দিন হোক বা সাধারণ রুটিন, মুখে হঠাৎ ব্রণ বেরোলে বিরক্তি বাড়ে। অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান বা অফিসের মিটিংয়ের আগেই এই সমস্যা দেখা দেয়। অথচ কিছু সহজ নিয়ম মানলেই ব্রণকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

খাওয়াদাওয়ায় সচেতনতা

ব্রণ কমাতে হলে প্রথমেই নজর দিন খাওয়াদাওয়ায়। ভাজাভুজি, প্রক্রিয়াজাত খাবার ও অতিরিক্ত চিনি এড়িয়ে চলুন। দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার অনেকের ক্ষেত্রেই ব্রণ বাড়ায়, তাই চাইলে সীমিত করতে পারেন। এর বদলে খাবারে রাখুন প্রচুর তাজা ফল, শাকসবজি ও বাদাম। আর সবচেয়ে জরুরি হলো পানি। দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার পানি পান করুন। এতে শরীর ভেতর থেকে পরিষ্কার থাকবে, ত্বকও উজ্জ্বল হবে।

নিয়মিত ঘুম

ব্রণর সঙ্গে ঘুমের সম্পর্ক গভীর। রাত জাগা ও মানসিক চাপ ব্রণ বাড়ায়। প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টার নিরবিচ্ছিন্ন ঘুম প্রয়োজন। নিয়মিত ঘুম না হলে শুধু ত্বক নয়, শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়ে। তাই রাত জাগা যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

প্রতিদিন ত্বক পরিষ্কার

ত্বক প্রতিদিন ধুলোবালি ও দূষণের সংস্পর্শে আসে। ফলে ছিদ্র বন্ধ হয়ে ব্রণ দেখা দেয়। দিনে অন্তত দু’বার ভালো মানের ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। সঙ্গে টোনার ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে ভুলবেন না। সকালে অবশ্যই সানস্ক্রিন লাগান, আর রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মুখ পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন।

নতুন প্রসাধনী ব্যবহার এড়িয়ে চলুন

ব্রণ-প্রবণ ত্বক সংবেদনশীল হয়। তাই হঠাৎ করে নতুন প্রসাধনী ব্যবহার করলে ত্বক সহ্য নাও করতে পারে। এতে সঙ্গে সঙ্গে ব্রেকআউট হতে পারে। নিরাপদ উপায় হলো, যে স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট আগে থেকে ব্যবহার করছেন, সেটিই চালিয়ে যাওয়া।

মেকআপ অবশ্যই তুলে ফেলুন

দিন শেষে মেকআপ ত্বকে রেখেই ঘুমিয়ে পড়া সবচেয়ে বড় ভুল। মেকআপ ত্বকের ছিদ্র বন্ধ করে ব্রণর সমস্যা বাড়ায়। তাই ঘরে ফেরার পর প্রথমে ক্লিনজিং অয়েল বা মিল্ক দিয়ে মেকআপ তুলে ফেলুন। তারপর ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। নিশ্চিত করুন যেন ত্বকে এক ফোঁটাও মেকআপ না থাকে।

এই নিয়মগুলো মানলে শুধু ব্রণ নয়, সার্বিকভাবে ত্বকও থাকবে সুস্থ ও উজ্জ্বল।