আবহাওয়ার পরিবর্তন, অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার, রোদ কিংবা দূষণ, বিভিন্ন কারণে চুল দ্রুত শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। তখন চুলে উজ্জ্বলতা কমে যায়, বাড়ে ফ্রিজিনেস, আঁচড়াতেও সমস্যা হয়। তবে কিছু সহজ যত্ন নিলে ধীরে ধীরে চুলের স্বাভাবিক কোমলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
ক্ষারযুক্ত শ্যাম্পু নয়
চুল শুষ্ক হয়ে গেলে শ্যাম্পু বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। ক্ষারযুক্ত বা কড়া শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুলের স্বাভাবিক তেল আরও কমে যায়। তাই এমন সময় মাইল্ড বা ক্ষারমুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করাই ভালো। এতে চুল পরিষ্কার থাকবে, আবার অতিরিক্ত শুষ্কতাও বাড়বে না।
গরম পানি এড়িয়ে চলুন
চুল ধোয়ার সময় অনেকেই গরম পানি ব্যবহার করেন। কিন্তু গরম পানি চুল ও মাথার ত্বকের আর্দ্রতা দ্রুত কমিয়ে দেয়। ফলে চুল আরও রুক্ষ হয়ে ওঠে। তাই চুল ধোয়ার জন্য ঠান্ডা বা হালকা কুসুম গরম পানি ব্যবহার করাই ভালো।
আর্দ্রতা ফেরান তেল ও হেয়ার মাস্কে
শুষ্ক চুলের যত্নে তেল খুবই কার্যকর। স্নানের আগে চুলে নারকেল তেল বা অন্য কোনও হেয়ার অয়েল হালকা করে মেখে নিতে পারেন। এতে চুলে আর্দ্রতা ফিরে আসে।
এ ছাড়া ঘরোয়া হেয়ার মাস্কও উপকারী। টকদই, মধু বা ডিম দিয়ে সহজেই একটি হেয়ার মাস্ক তৈরি করা যায়। সপ্তাহে এক-দু’বার ব্যবহার করলে চুল ধীরে ধীরে নরম ও মসৃণ হয়ে উঠবে।
কিছুদিন স্টাইলিং থেকে বিরতি
হেয়ার ড্রায়ার, স্ট্রেটনার বা কার্লারের মতো স্টাইলিং যন্ত্রপাতি চুলের ওপর বাড়তি চাপ ফেলে। তাই চুল যখন শুষ্ক হয়ে যায়, তখন কিছুদিন এসব ব্যবহার না করাই ভালো। এতে চুল স্বাভাবিকভাবে শক্তি ফিরে পাওয়ার সুযোগ পায়।
চুল বেঁধে রাখুন
খোলা চুলে সহজেই ধুলো-ময়লা জমে। দূষণও চুলের ক্ষতি বাড়ায়। তাই বাইরে বের হলে চুল হালকা করে বেঁধে রাখা ভালো। এতে রোদ, বাতাস ও দূষণের প্রভাব কিছুটা কম পড়ে এবং চুলের ফ্রিজিনেসও কমে।
নিয়মিত এই যত্নগুলো নিলে ধীরে ধীরে চুলের শুষ্কতা কমে আসবে। চুল আবারও ফিরে পাবে তার স্বাভাবিক কোমলতা ও উজ্জ্বলতা।