গরমে কেমন হবে আরামের পোশাক?

বৈশাখের আমেজে মেতে উঠলেও গরম যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। বাইরে চাঁদিফাটা রোদ। এই গরমে প্রাণও যেন প্রায় ওষ্ঠাগত। নিশ্চয় সবার মনে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে যে, কেমন পোশাক পরলে মিলবে একটুখানি আরাম। বাইরে বের হওয়ার আগে দশবার চিন্তা করতে হয় পোশাক নিয়ে। কোন জামাটা পরলে গরম কম লাগবে, তারই খোঁজ চলে। সে সব প্রশ্নের উত্তর নিয়ে এসেছি আমরা। জেনে নিন, গরম থেকে বাঁচতে কেমন পোশাক পরা উচিত। আর সেই সঙ্গে থাকতে পারেন ট্রেন্ডিও।

গরমে হালকা রঙের পোশাক একদম ঠিকঠাক। ছবি: ইয়োলো

ফেব্রিকের গুরুত্ব দিন
গরমের সময়ে পোশাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন ফেব্রিককে। এমন কাপড় পরা উচিত নয়, যা আপনার ত্বকের অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠবে। একদিকে ভারী ফেব্রিক পরলে যেমন গরম বেশি লাগবে, তেমনি পাতলা সিল্কেও অস্বস্তি লাগবে। তাই দুটিই এড়িয়ে চলুন। তাহলে কী পরবেন? হতাশ হওয়ার দরকার নেই। এমন অনেক ফেব্রিক বা কাপড় রয়েছে যা গরমে আরাম দেবে। তার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে সুতি। এছাড়াও থাকছে লিনেন, শিফন, অরগ্যাঞ্জা, শিয়ার ও খাদি।

বেছে নিতে পারেন ঢিলেঢালা পোশাক। ছবি: রঙ বাংলাদেশ

ঢিলাঢালা পোশাক বেছে নিন
গরমের এই সময়টা একটু ঢিলেঢালা পোশাক আপনাকে আরাম দেবে। অনেকে ফিটিং পোশাক পরতে বেশি পছন্দ করেন। তবে তাপপ্রবাহ চলাকালে খুব চাপা পোশাক না পরাই ভালো। টাইট পোশাক পরলে রক্ত সঞ্চালন ঠিকঠাক হয় না। ত্বকে র‌্যাশও হতে পারে। তাই কম্ফোর্ট পোশাক পরাই ভালো।

এই সময় পরতে পারেন হালকা রঙের পোশাক। ছবি: কে ক্র্যাফট

হালকা রঙের পোশাক পরুন
এই সময়টা হালকা রঙের পোশাক পরা উত্তম। এখন রোদের তেজ এতটাই যে, ফুল স্লিভ পোশাক পরাই ভালো। নাহলে, ক্ষতিকারক অতিবেগুনী রশ্মির প্রভাবে আপনার ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। যদি একান্তই হাফ স্লিভ পরেন, তবে বাইরে বের হলে হাত যেন ঢাকা থাকে সেই ব্যবস্থা রাখুন। ত্বকে যেন সরাসরি রোদ না লাগে। তাহলে ত্বকে ট্যান পড়ার আশঙ্কাও থাকবে না।

ইউভি প্রোটেক্টেড আউটফিট
সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মির কথা মাথায় রেখেই আধুনিক পোশাক তৈরি করা হচ্ছে। UV প্রোটেক্টেড এসব আউটফিট মিলছে অনেক ফ্যাশন ব্র্যান্ডের শোরুমে। দিনের বেলায় যদি অনেকটা সময় আপনার বাইরে কাটাতে হয়, তবে এই ধরনের পোশাক বেছে নিতে পারেন। আপনার ত্বক বেচে যাবে রোদের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে।

খেয়াল রাখুন আরামদায়কের পাশাপাশি পোশাকটি যেন হয় স্টাইলিশও। ছবি: রঙ বাংলাদেশ

পছন্দের পোশাকই পরুন
গরমের পোশাক বেছে নিতে গিয়ে নিজের স্টাইলিংয়ের সঙ্গে একেবারেই কম্প্রোমাইজ করবেন না। তবে মাথায় রাখবে কম্ফোর্টের বিষয়টি। সেই সঙ্গে গুরুত্ব দিন আপনার স্টাইলিংকেও। তাই বেছে নিন আপনার পছন্দের পোশাক। একটু বুঝেশুনে পোশাক পরুন। আর উপভোগ করুন সামার ফ্যাশন।