ভ্রমণে কেমন পোশাক পরবেন?

সেপ্টেম্বর প্রায় শেষ হয়ে এলো। অক্টোবর আসতে আসতে গরমটাও কমে আসবে। ঘোরাঘুরির জন্য কিন্তু এই সময়টা বেশ উপযুক্ত। তবে ভ্রমণের গন্তব্য যা-ই হোক, আবহাওয়া বুঝে পোশাক নির্বাচন করা খুবই জরুরি। নাহলে ভ্রমণের সমস্ত আনন্দই মাটি! জেনে নিন এ সময়ে পোশাক নির্বাচনে যেসব বিবেচনায় রাখবেন, তা নিয়ে।

আরামের কথা সবার আগে   
ভ্রমণের পোশাক নির্বাচনের সময় এমন পোশাক নির্বাচন করতে হবে, যা পরে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করা যায়। খুব ফিটিং, জমকালো আর ভারী পোশাক ভ্রমণে এড়িয়ে যেতে হবে। অতিরিক্ত নকশাদার পোশাক পরলে কিংবা পোশাকে লেয়ার বেশি থাকলে, অথবা ফেব্রিক যদি ভারি হয় সেক্ষেত্রে আরাম নষ্ট হতে পারে। উল্টো ভ্রমণ অস্বস্তিকর হয়ে উঠবে। 
সমুদ্র ভ্রমণের ক্ষেত্রে মিডি ড্রেস দারুণ মানানসই। সালোয়ার কামিজ বা কুর্তির পাশাপাশি হালের ক্রপটপ, জাম্পস্যুট, ফ্লোয়ি ড্রেস, র‍্যাপ ড্রেস, কাফতানও ভ্রমণের জন্য বেশ উপযুক্ত। এসব পোশাক একই সঙ্গে ঢিলেঢালা, আরামদায়ক ও ফ্যাশনেবল।

ফেব্রিক কেমন জানা জরুরি
সুতি, লিনেন এবং ভিসকস, এই তিন ধরনের ফেব্রিক ভ্রমণের সময় অনায়াসে পরতে পারবেন। হালকা এবং বাতাস চলাচলে কোনো রকম বাধা দেয় না বলে যেকোনো ঋতুতে এই ম্যাটারিয়ালের পোশাক অত্যন্ত উপযোগী। 
তবে ঘাম শোষণ করতে পারে বলে সুতি কাপড় সব সময়ই ফেব্রিক হিসেবে সবচেয়ে আরামদায়ক। তবে সুতি আর লিনেন কাপড়ে বেশ সহজেই ভাঁজ পড়ে যায়। সাথে আয়রন না থাকলে লাগেজ থেকে বের করে পরবর্তীতে পরার সময় বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে। জর্জেট, ধুপিয়ান, শিফন, ক্রেপ সিল্ক প্রভৃতি ম্যাটারিয়ালের পোশাকও ভ্রমণে সব সময় পরার জন্য উপযুক্ত।

উজ্জ্বল রঙের প্রাধান্য  
ভ্রমণে গেলে সুন্দর সুন্দর ছবি তো তুলতেই হবে। এসময় কালো, ধূসর, বাদামি ইত্যাদি রঙ খুব একটা মানাবে না। সমুদ্রের নীল বা বনানীর সবুজে নিজেকে প্রাণবন্ত হয়ে তুলে ধরতে চাইলে ভ্রমণের জন্য পোশাক নির্বাচন করুন উজ্জ্বল রঙের।
কমলা, হলুদ, বেগুনি, গোলাপি থেকে শুরু করে প্যাস্টেল, পিচ, জলপাই সবুজ, ল্যাভেন্ডার, নিয়নের বিভিন্ন শেড দারুণ মানাবে। চাইলে সাদার স্নিগ্ধতায়ও সেজে উঠতে পারেন।

পোশাকের পাশাপাশি সানগ্লাস এবং আরামদায়ক জুতা নিতে ভুলবেন না যেন। আর বৃষ্টির মুডের যেহেতু ঠিক নেই, তাই ছাতা, টুপি, রেইনকোট প্রভৃতিও ভ্রমণে রাখুন সঙ্গেই।