সাগরে বেড়াতে গেলে খাবারের কথা আসলেই মাথায় আসে রূপচাঁদার কথা। এই মাছের ফ্রাই বা ভুনা যাই করেন না কেন, অনেক মজা। এবার সাগরে বড়াতে গেলে নয়, বাড়িতে বসেই খেতে পারবেন রূপচাঁদা। গরম ভাত বা পোলাওয়ের সঙ্গে দারুণ খেতে মাছটি। লবণ একটু কম দিলে এই রূপচাঁদা ফ্রাই এমনিতেই খাওয়া যায়। আর সঙ্গে যদি থাকে পটেটো ওয়েজেস তাহলে তো কথাই নেই। ফ্রেন্সফাইয়ের পরে এখন খাবারের ক্রেজ এখন পটেটো ওয়েজেস। এটিও বানাতে পারেন বাড়িতে। রূপচাঁদা ফ্রাই উইথ পটেটো ওয়েজেসের রেসিপি দিয়েছেন কাজী নওশীণ লায়লা।
যা যা লাগবে
রূপচাঁদা মাছ ৩টি, হলুদ গুঁড়া হাফ চামচ, গোল মরিচ ২চা চামচ, ব্রেড ক্রাম্ব ২ /৩ টেবিল চামচ, আদা রসুন বাটা ২ চামচ, মরিচের গুঁড়া ২ চামচ, পাতি লেবু, মাখন ২ চামচ, তেল পরিমাণমতো, লবণ স্বাদমতো( একটু কম কারণ সামুদ্রিক মাছে লবণ থাকে), ৩/৪ কাপ কর্নফ্লাওয়ার এবং ২ টেবিল চামচ ময়দা।
যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে মাছ ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর ছুরি দিয়ে মাছের গায়ে হলকা করে চিরে দিন। এইবার একটা বাটিতে হলুদ, ১ টা পাতি লেবুর রস, লবণ, গোল মরিচ এবং মরিচের গুঁড়া নিয়ে মাছের গায়ে লাগিয়ে দিন। এরপর ১৫ মিনিট মাছটাকে রেখে দিন। মাছটা যতক্ষণ ম্যারিনেট হচ্ছে ততক্ষণ একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। পেস্টটা বানাতে একটা বাটিতে সব উপকরণ মেখে নিন। পেস্টটা বানানো হয়ে আবার মাছের গায়ে ভালো করে লাগিয়ে দিন। ১ ঘণ্টা মাছটা এইভাবে রেখে দিন। সময় হয় গেলে একটা ননস্টিক তাওয়া গরম করে তাতে পরিমাণ মতো তেল দিন। এবার মাখন দিন। যখন দেখবেন মাখনটা গলে গেছে, তাতে একে একে তিনটি মাছ দিয়ে দিন। ৮-১০ মিনিট হালকা আঁচে ফ্রাই করার পর মাছগুলো উল্টে দিন। যাতে আরেক দিকও ভালো করে ফ্রাই হয়। যখন দেখবেন দুই দিকই ভালো করে ভাজা হয়ে গেছে তখন আঁচটা বন্ধ করে মাছগুলো একটি প্লেটে তুলে নিন। আর পরিবেশন করুন পটেটো ওয়েজেসের সঙ্গে।
যেভাবে বানাবেন পটেটো ওয়েজেস
পটেটো ওয়েজেস বানাতে লাগবে বড় আলু ৪টি। প্রত্যেকটি আলু লম্বাভাবে আট টুকরা করবেন। তারপর ২ কাপ পানিতে ১ চামচ লবণ দিয়ে ফুটিয়ে নেবেন। তারপর ফুটন্ত পানিতে ১০ মিনিট জোরে আঁচে ফোটান। এবার মাছের অবশিষ্ট মেরিনেটের মধ্যে আলুগুলো দিন। সামান্য ময়দা দিতে পারেন যদি প্রয়োজন হয়। তারপর তেলে ভেজে নিন। সঙ্গে আস্ত কিছু কাঁচা মরিচও ভেজে নিন।