ইফতারের জন্য কিছু হালকা, সুস্বাদু খাবারের খোঁজ করলে আলু-পেঁয়াজের কচুরি হতে পারে একদম ঠিকঠাক। মসলা ও আলুর সমন্বয় কচুরিটিকে দারুণ সুস্বাদু করে তোলে। গরম গরম কচুরি সঙ্গে চাটনি পরিবেশন করলে ইফতারের আসর আরও রঙিন ও সুস্বাদু হয়ে ওঠে। এটা সহজে তৈরি করা যায়। রইল রেসিপি।
উপকরণ
পুর তৈরির জন্য লাগবে রান্নার তেল ১ টেবিল চামচ, রসুন কুচি ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ১/২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ বড়, পেঁয়াজপাতা কুচি ১ কাপ, লবণ ১ চা-চামচ, লাল মরিচ কুচি ১/২ চা-চামচ, ধনে (ভাজা ও গুঁড়া ১/২ লেবিল চামচ, চাট মসলা ১/২ চা-চামচ, লাল মরিচ গুঁড়া ১/২ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া ১/২ চা-চামচ, জিরা (ভাজা ও গুঁড়া) ১ চা-চামচ, আলু (সেদ্ধ)১ বড় এবং ধনেপাতা কুচি এক মুঠো।
ডো তৈরির জন্য লাগবে ময়দা ৩ কাপ, লবণ ১ চা চামচ বা স্বাদ অনুযায়ী, ঘি ৩ টেবিল চামচ, পানি ১ কাপ বা প্রয়োজন অনুযায়ী এবং ভাজার জন্য তেল।
প্রস্তুত প্রণালি
পুর তৈরি করতে কড়াইতে তেল দিন, রসুন ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ৩০ সেকেন্ড ভাজুন। পেঁয়াজ দিন, ভালোভাবে মেশান ও এক মিনিট ভাজুন। পেঁয়াজের পাতা, লবণ, লাল মরিচ কুচি, ধনে গুঁড়া, চাট মসলা, লাল মরিচ গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া ও জিরা মেশান এবং ২–৩ মিনিট রান্না করুন। সেদ্ধ আলু যোগ করে ভালোভাবে মেশান ও ম্যাশ করুন। ধনেপাতা যোগ করে আবার মেশান। তারপর ঠান্ডা হতে দিন।
তারপর ডো তৈরির পালা। একটি বাটিতে ময়দা ও লবণ মিশান। ঘি দিন ও ময়দা ভেঙে ক্রাম্বেল আকারে করুন। ধীরে ধীরে পানি যোগ করুন ও মাখুন, ডো তৈরি করুন। ডো ঢেকে ১৫ মিনিট রাখুন। ডোকে আবার মাখুন যতক্ষণ মসৃণ না হয়। ছোট ডো (১৫০ গ্রাম) করে বল বানান, শুকনো ময়দা ছিটিয়ে লম্বা আয়তাকার আকারে রোল করুন।
ঘি লাগান ও শুকনো ময়দা ছিটিয়ে উভয় পাশে ফ্লিপ করুন, আবার ঘি লাগান ও শুকনো ময়দা ছিটিয়ে কেন্দ্র থেকে ভাঁজ করুন। ঘি লাগান ও শুকনো ময়দা ছিটিয়ে পিনহুইল আকারে রোল করুন, তারপর ৩ ভাগে ভাগ করুন। এক ভাগ নিয়ে শুকনো ময়দা ছিটিয়ে ৪ ইঞ্চি ব্যাসে রোল করুন। রোল করা ডো একটি বাটিতে রাখুন, ১-২ টেবিল চামচ পুর দিন, পানি লাগান, প্রান্তগুলো মেলে মুড়ুন ও পিন্চ করে সিল করুন।
একটি কড়াইতে তেল ১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে গরম করুন। খুব ধীর আঁচে কচুরিগুলো সোনালী ও ক্রিস্পি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। প্রায় ১৪-১৬টি কচুরি তৈরি হয়। গরম গরম কচুরি পরিবেশন করুন চাটনির সঙ্গে।