বর্ষা মৌসুমের প্রথমে বৃষ্টির দেখা পাওয়া না গেলেও আষাঢ়ের মাঝামাঝি সময়ে এসে এ বছর সারাদেশেই প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, জুলাই মাসের ৩-৪ তারিখ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি।
তবে খুব বেশি বৃষ্টিপাত আমাদের ঘরের জন্য ক্ষতিকর। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সাথে সাথেই ঘরের যত্ন না নিলে স্যাঁতসেঁতে আর গুমোট ভাবের পাশাপাশি দেখা দিতে পারে নানান সমস্যা।
স্যাঁতসেঁতে গন্ধ দূর করতে
টানা বৃষ্টির কারণে আমাদের বাসাবাড়িতে স্যাঁতসেঁতে গন্ধ হয়ে যায়। এই গন্ধ দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন এসেনশিয়াল অয়েল। অয়েলের মুখটি খুলে রেখে দিতে পারেন এয়ারকন্ডিশনের পাশেই। আজকাল হিউমিডিফায়ারের ব্যবহার বেড়েছে। ঘরের আর্দ্রতা ঠিক রাখতে হিউমিডিফায়ারও খুব ভালো কাজ করে।
কাঠের ফার্নিচারের যত্ন
আসবাবপত্রতে দাগ অথবা ফাঙ্গাস পড়া বর্ষাকালের সহজাত একটা প্রবণতা। এছাড়াও অনেক সময় কাঠ ফুলে যায়। ফার্নিচারকে বর্ষায় নতুন বার্নিশ দিতে পারেন যেন সেগুলো সুরক্ষিত থাকে।
ঘরের দেয়াল
ঘরের দেয়াল, সিলিং বা ছাদে কোনো ফুটো আছে কিনা পরীক্ষা করুন। যদি ফাটল বা ফুটো থেকে থাকে, তবে দ্রুত তা মেরামতের ব্যবস্থা নিন। নইলে বাড়ির অন্যান্য অংশের দেয়াল এবং ঘরে এর প্রভাব পড়তে পারে।
পোকার উপদ্রব
বৃষ্টির জমে থাকা পানির কারণে বাসাবাড়িতে হতে পারে পোকামাকড়ের উপদ্রব। সেসব প্রতিহত করতে প্রতিনিয়ত আপনার বাসাবাড়ি পরিষ্কার করুন। বৃষ্টির জমা পানি যেন ঠিকভাবে বেরিয়ে যেতে পারে, সেদিকে শুরু থেকেই খেয়াল রাখুন।
বৈদ্যুতিক সামগ্রী
বৃষ্টি, ঝড় বা বজ্রপাতের কারণে আপনার বৈদ্যুতিক সামগ্রীর ক্ষতি হতে পারে। এসময় বৈদ্যুতিক সামগ্রীর জ্যাক অথবা প্লাগ খুলে রাখতে পারেন। এছাড়া বজ্রপাতে বিদ্যুতের লাইন ফেটে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এতে শর্ট সার্কিটের আশংকা তৈরী হয়। ফাটা বা ড্যামেজড লাইন তাই দ্রুত পাল্টে ফেলবেন।
বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা
বর্ষায় ঘরে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো প্রবেশের ব্যবস্থা রাখুন। বাড়ির দরজা, জানালা অল্প সময়ের জন্য হলেও খোলা রাখুন। এতে আর্দ্রতার সঠিক মাত্রা বজায় থাকবে।