সবে অফিস থেকে ফিরে সোফায় এসে বসেছেন। এখানে-ওখানে পড়ে আছে জামাকাপড়; রান্নাঘরের বেসিনে জমা এঁটো থালাবাটির পাহাড়।
এমন সময় এলো আত্মীয়ের ফোন, সপরিবারে আপনার বাড়ি আসছেন তাঁরা। অতিথির আগমনের সংবাদে মন খুশিতে ভরে উঠলেও ঘরের অবস্থা দেখে পড়ে গেলেন চিন্তায়!
তাড়াহুড়া না করে মাথা ঠান্ডা রেখে ঘরের কয়েকটি কোণে নজর দিলেই কিন্তু অতিথিদের সামনে অস্বস্তিতে পড়তে হবে না। আজকে রইল তার টিপস।
বেডরুম
প্রথমেই বিছানার চাদর টান টান করে দিন। নির্দিষ্ট জায়গায় রাখুন বালিশ। চটজলদি বেডরুমের চেহারা বদলে দিতে সাহায্য করবে রঙবেরঙের কুশন, তাই চাইলে কিছু কুশন যোগ করুন। আবার চাদর যদি নোংরা লাগে তাহলে পরিষ্কার চাদর বিছিয়ে ফেলুন।
অতিরিক্ত জামাকাপড়
বিছানা, চেয়ার বা শেলফে অতিরিক্ত জামাকাপড় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা যেন প্রতিটি ঘরের সাধারণ কাহিনী! অতিথি আসার আগ দিয়ে চটজলদি সেগুলো একটা ঝুড়িতে ভরে ফেলুন এবং ঘরের বাইরে রাখুন। আলমারিতে খালি জায়গা থাকলে সেখানেও রাখতে পারেন। এলোমেলো জুতাও রেখে দিন শু র্যাকে।
ড্রয়িংরুম
অতিথিরা ঘরে প্রবেশ করেই কিন্তু ড্রয়িংরুমে বসেন। এই ঘরটিকে গুছিয়ে রাখা তাই খুব গুরুত্বপূর্ণ। কোথাও ধুলা জমে থাকলে ডাস্টিং করে নিন। টেবিল ঘরের মাঝামাঝিতে এনে রাখুন। কাগজপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকলে সেগুলোও ব্যাগে ভরে রাখুন। প্রয়োজনে পুরো ঘরটিকে ঝাড় দিয়ে নিন।
খেলনা বাক্সে
বাড়িতে শিশু থাকলে ঘরজুড়ে তার বিভিন্ন খেলনা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকাটাই স্বাভাবিক। অতিথি আসার আগে খেলনাগুলো একটি নির্দিষ্ট বাক্সে উঠিয়ে রাখুন। শিশু যদি একটু বড় হয়, তাহলে তাকে দিয়েই গুছিয়ে ফেলুন।
ঘরজুড়ে সুগন্ধ
প্রচলিত একটি কথা রয়েছে যে, আমরা নিজের ঘরের গন্ধ নিজেরা টের পাই না। তাই ঘর গোছাতে শুরু করার আগে রুম ফ্রেশনার ছড়িয়ে দিন। চাইলে ডিফিউজার বা সুগন্ধি মোমবাতি জ্বালাতে পারেন। এছাড়াও কোনো দুর্গন্ধ থাকলে জানালাটা খুলে দিতে পারেন। বাড়িতে ঢুকেই যদি অতিথির নাকে সুগন্ধ প্রবেশ করে, তাহলে সেখানেই অর্ধেক মন জয় করে নিতে পারেন অতিথির।
বাথরুম
পরিষ্কার বাথরুম মানুষের রুচির পরিচয় বহন করে। বাথরুমে নোংরা দাগ থাকলে, কমোডে ময়লা জমে থাকলে, চুল পড়ে থাকলে অতিথির মনে আপনাকে নিয়ে খুব বাজে ধারণা তৈরি হবে। অতিথিরা আসার আগে তাই বাথরুম অবশ্যই পরিষ্কার করে নিন।