চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনের ক্ষমতা ইসির নেই: সিইসি

চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। শনিবার বিকেলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

সিইসি বলেন, বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনের সামর্থ্য ইসির নেই।

হাবিবুল আউয়াল বলেন, সব দলের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তবে নির্বাচনের পরিবেশ অনুকূল না প্রতিকূল, তা আপেক্ষিক বিষয়।

সিইসি বলেন, কমিশন এককভাবে কিছু করতে পারবে না। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে।

এর আগে শনিবার সকালে মতবিনিময়ের জন্য নির্বাচন কমিশনে যান আওয়ামী লীগ-তৃণমূল বিএনপিসহ ১৩টি দলের প্রতিনিধিরা। বিকেলে দ্বিতীয় ধাপে ২২টি দলের মধ্যে জাতীয় পার্টি, জাসদসহ ১৩টি দল আলোচনায় অংশ নেয়। তবে বিএনপি, কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগসহ ৯টি দল কমিশনে যায়নি।

এর আগে শনিবার সকালে মতবিনিময়ের জন্য নির্বাচন কমিশনে যান আওয়ামী লীগ-তৃণমূল বিএনপিসহ ১৩টি দলের প্রতিনিধিরা। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে এ বৈঠক। বৈঠক শেষে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ইসি যে ব্যবস্থা নিয়েছে, তাতে আওয়ামী লীগ সন্তুষ্ট বলে জানান দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান। তিনি বলেন, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কখনো অরাজকতা করে না।

আর গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য ইসিকে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানান তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দকার।

বিকেলে দ্বিতীয় ধাপে ২২টি দলের মধ্যে জাতীয় পার্টি, জাসদসহ ১৩টি দল আলোচনায় অংশ নেয়। তবে বিএনপি, কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগসহ ৯টি দল কমিশনে যায়নি। নিবন্ধিত ৪৪টি দলকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও নির্বাচন কমিশনের আলোচনায় অংশ নিয়েছে ২৬টি দল। আলোচনায় নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানানো হচ্ছে দলগুলোকে। শোনা হচ্ছে তাদের পরামর্শও।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃতীয় দফায় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করছে ইসি। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নিয়েছে তারা।