কিছু ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের অনুরোধে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়ায় অবৈধ উপায়ে অর্জিত টাকা আসবে না। সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ সম্পদ বৈধ করার সুযোগ পাবেন না বলেও জানান এনবিআর চেয়ারম্যান।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান এনবিআর চেয়ারম্যান।
দুই বছরের ব্যবধানে আবারও বাজেটে কালো টাকা সাদা করার ঢালাও সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। এবার নগদ টাকা ও ব্যাংক সঞ্চয়ে কর ধরা হয়েছে ১৫ শতাংশ। আর জমি ও ফ্ল্যাটে নির্ধারিত হারে কর, যা নিয়ে হচ্ছে ব্যাপক সমালোচনা।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, জমি কেনাবেচার পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে অপ্রদর্শিত অর্থ তৈরি হচ্ছে। আবার অনেকে নিজেরা রিটার্ন পূরণ করায় ভুল করে ফেলেন। ফলে এ সম্পদ দেখাতে পারছেন না। আবার ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশন সিস্টেম ডিভিএস চালু হওয়ায় অনেক কোম্পানি বৈধ সম্পদ দেখাতে পারছে না। তাই বিশেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, অবৈধ উপায়ে অর্জিত সম্পদ বেশিরভাগই পাচার হয়। কিছু ব্যয় হয় ভোগবিলাসে। সুযোগ দিলেও এসব টাকা অর্থনীতিতে আসে না। অর্থনীতিতে কালো টাকার পরিমাণ কত, তার হিসাব করা এনবিআরের কাজ নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উঠে আসে পুলিশের সাবেক আইজি বেনজীর আহমেদের অবৈধ সম্পদ প্রসংগ। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা মসিউর রহমান জানান, বেনজির আহমেদের বিরুদ্ধে তথ্য অনুসন্ধান করা হচ্ছে। এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় বেনজির আহমেদ সাদা করার সুযোগ পাবেন না।