২০২৪-২৫ অর্থবছরেও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিনিয়োগে কর অব্যাহতির সুবিধা বহাল থাকছে। একই সাথে ব্যক্তি শ্রেণির সর্বোচ্চ আয়কর ৩০ শতাংশের বদলে ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। এর বাইরে, বড় কোনো পরিবর্তন ছাড়াই পাস হলো অর্থ বিল-২০২৪।
শনিবার সন্ধ্যায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে পাস হয় অর্থবিল।
এর আগে এদিন বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নেন সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিরোধী দলীয় নেতা জিএম কাদের। পরে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনার সমাপনী বক্তব্য দেন অর্থমন্ত্রী।
গত ৬ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। এরপর গত কয়েক সপ্তাহে, প্রস্তাবিত বেশকিছু নীতি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয় সংসদে। যার একটি কালো টাকা সাদা করার সুযোগ। বাজেটের সাধারণ আলোচনার শেষ দিনেও এ নিয়ে মন্তব্য করেন বিরোধী দলীয় নেতা।
হাইটেক পার্ক ও অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগে কর অবকাশ সুবিধা প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেয়া হয় বাজেটে, তা বাতিলের দাবি উঠেছিল সংসদে। একই সাথে ব্যক্তি আয়ের কর ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করার কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী তার সমাপনী বক্তব্যে এমন সব নীতি সংশোধনের প্রস্তাব তুলে ধরেন সংসদে। স্পিকার বিলটি পাসের জন্য ভোটে দিলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।
রোববার জাতীয় সংসদের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট পাস হবে। আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে নতুন বাজেট।