জামায়াতে ইসলামী যে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি তা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন পাসের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
আজ শুক্রবার সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে পৌর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন আইন পাসের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে, জামায়াত ও তাদের উত্তরসূরিরা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি ছিল। এটি এখন একটি প্রতিষ্ঠিত সত্য।
আসাদুজ্জামান আরও বলেন, আমরা যখন সংসদে এই আইনটি আনলাম, তখন জামায়াতে ইসলাম বিরোধিতা করেনি। আর এনসিপি লিখিতভাবে এই বিলের পক্ষে সরকারের সাথে অবস্থান নিয়েছিল।
গত ৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদ ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস করে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান বিলটি সংসদে উত্থাপন ও পাসের প্রস্তাব করেন।
ওই বিল নিয়ে গত ২৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধার যে সংজ্ঞা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন ২০২৬–এ নির্ধারিত করা হয়েছে, সেই সংশোধনীতে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের এদেশীয় দোসর—তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী, তৎকালীন নেজামে ইসলামী এবং আল বদর, আল শামস বাহিনী, রাজাকারদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের যে সমস্ত দামাল ছেলেরা, যাঁরা সংগ্রাম করেছেন, তাঁদের বীর মুক্তিযোদ্ধা বলা হয়েছে।
তিনি ওইদিন আরও বলেন, এ আইন এই সংসদে পাস হয়েছে। সেই আইনে জামায়াতে ইসলামী কার্যত বিরোধিতা করেনি। এনসিপির পক্ষ থেকে লিখিতভাবে অনুসমর্থন জানানো হয়েছে।