প্রায় এক মাস পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত দুই প্রবাসীর মরদেহ। শনিবার রাত ২টার দিকে কাতার এয়ারওয়েজের একটি বিমানে তাদের মরদেহ ঢাকায় এসে পৌঁছায়।
বিমানবন্দরে মরদেহ হস্তান্তরের পর স্বজনদের কাছে বিশেষ অনুদান তুলে দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
পরিবারে একটু স্বচ্ছলতা আনতে, সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে পাড়ি দিয়েছিলেন সুদূর লেবাননে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে ফিরতে হলো কফিনে। গত ১১ মে দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়ের জিবদিন এলাকায় ইসরায়েলের ড্রোন হামলায় নিহত হন সাতক্ষীরার শফিকুল ইসলাম ও মোহাম্মদ নাহিদুল ইসলাম নাহিদ।
দীর্ঘ ২৭ দিনের প্রতীক্ষা, উৎকণ্ঠা আর কান্নার পর দেশে পৌঁছায় দুই প্রবাসীর মরদেহ। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে বিমানবন্দরের পরিবেশ। বহু স্বপ্ন বুকে নিয়ে প্রবাসে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া মানুষগুলো নিথর হয়ে ফিরেছেন জন্মভূমিতে।
নিহত প্রবাসীদের পরিবারের পুনর্বাসনে উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান স্বজনেরা। নিহতদের স্বজনদেন হাতে প্রাথমিকভাবে ৩৫ হাজার টাকা এবং বিশেষ অনুদান হিসেবে ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। দ্বিতীয় ধাপে জন প্রতি আরও ১৩ লাখ টাকা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত দশ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাত রেমিটেন্স যোদ্ধার মরদেহ ইতোমধ্যে দেশে আনা হয়েছে, জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।