এবার সীমান্ত পাহারাতেও যুক্ত হলো আনসার

ভারত থেকে পুশ-ইন ঠেকাতে দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। রোববার বিজিবির এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এদিকে সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি। সুনামগঞ্জ সীমান্তে বিজিবিকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। সেই সঙ্গে চলছে বিশেষ টহল।

শনিবার রাত আটটা থেকে ১১টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় সতর্কতামূলক মাইকিং করা হয়। এ ছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা পরিস্থিতির তথ্য পাওয়া মাত্রই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে পুশ-ইন ঠেকাতে শেরপুরের প্রায় ৪৫ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় তৎপর রয়েছে বিজিবি। রাতভর গারো পাহাড়ে হ্যান্ডমাইকে সবাইকে সতর্ক করাসহ টহল দেয় তারা।

অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নেত্রকোনা ও লালমনিরহাটে সতর্ক অবস্থানে বিজিবি সদস্যরা। হিলিতে বিজিবি টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় জনসাধারণকে নিয়ে পুশ-ইন প্রতিরোধে সীমান্তে পাহারা দেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে, মেহেরপুর সীমান্তের শূন্যরেখায় থাকা ছয়জনকে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ। শনিবার রাত তিনটার দিকে সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে তাঁদের ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়।

গাংনীর তেঁতুলবাড়িয়া বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা তেঁতুলবাড়িয়া সীমান্ত দিয়ে ছয়জনকে পুশ-ইন করে। তবে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি ও গ্রামবাসীদের প্রতিরোধে বিএসএফের চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। এদিকে পঞ্চগড়ের বড়বাড়ী সীমান্তের শূন্যরেখায় তিন দিন ধরে অবস্থান করছে ১০ জন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পুশ-ইন নিয়ে ডিপ্লোমেটিক চ্যানেলে (কূটনৈতিক মাধ্যমে) আলোচনা হবে।

বিজিবি-বিএসএফ বৈঠকে পুশ-ইন ইস্যুতে আলোচনা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈঠকে অগ্রাধিকার পাবে পুশ-ইন, সীমান্ত হত্যা ও নিরাপত্তা।