প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া ও চীনে পাঁচদিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন। তিনি শুক্রবার রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে চীন থেকে সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য ও সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এসময় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির নেতাকর্মীদের বিমানবন্দরে ভিড় করতে আগেই নিষেধ করা হয়েছিল, তাই তারা সেখানে যাননি।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও সফর সঙ্গী মাহদী আমিন গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে কোনো নেতাকর্মী আসেনি এটা নতুন রাজনৈতিক ধারার অংশ।
মাহাদী আমিন জানান, বাংলাদেশের স্বার্থ সংশিষ্ট, বাণিজ্য, বিনিয়োগে দুই দেশের– মালয়েশিয়ার সরকার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের প্রিমিয়ার ও প্রধানমন্তীর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে।
এছাড়া চীনের বানিজ্যিক করিডোর বিষয়ক প্রস্তাবনাকে সরকার ইতিবাচকভাবে দেখছে বলে তিনি জানান।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, এ সফর ঘিরে চীন ও মালেয়েশিয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে যে সন্মান দেখিয়েছে সে সস্মান বাংলাদেশের জনগণের।
শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৬ মিনিটে বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন।
বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে চীন সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক বিদায় সংবর্ধনা জানানো হয়।
এর আগে, চীনের স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল ১০টায় বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বৈঠক করেন। এতে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জানান, নতুন যুগের জন্য একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে চীন-বাংলাদেশ কমিউনিটি গঠনে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত চীন। এসময় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত কারার অঙ্গীকার করেন তিনি।
চীনা প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, দেশ পরিচালনা এবং বাংলাদেশকে জাতীয় উন্নয়নে নতুন সাফল্যের দিকে নিয়ে যেতে সমর্থন করতে প্রস্তুত তার দেশ।