ধর্ষণের পরিসংখ্যান বেড়ে যাওয়ার যে কারণ জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মামলা করতে বাধা নেই বলেই এখন ধর্ষণের পরিসংখ্যান বেশি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সালাহউদ্দিন আহমদের দাবি, এখন সামাজিক বা রাজনৈতিক বাধা নেই বলেই ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করতে পারছেন। সংসদে ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় এ কথা বলেন মন্ত্রী। এছাড়া, সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে পাস হয়েছে জুয়া প্রতিরোধ বিল।  

সংসদে পাস হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট। এটি ছাপিয়ে অধিবেশনে আলোচনায় উঠে আসে স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানার পোশাক। 

আইনজীবীর পোশাক পরে সংসদে আসার ব্যাখ্যা দিতে হয় রুমিনকে। আলোচনার সূত্রপাত, স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ ছাঁটাইয়ের প্রস্তাবে।  

বাজেটে নিজ মন্ত্রণালয়ের মঞ্জুরি ও ছাঁটাই প্রস্তাব আলোচনায় অংশ নিয়ে ধর্ষণের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা ধর্ষণের চিত্রটা একটু বেশি পেয়েছি। তার একটা কারণ আছে। আগে ধর্ষিতারা রেকর্ড করতে থানায় যেত না বা পারত না। সামাজিক বা রাজনৈতিক বিভিন্ন হস্তক্ষেপের কারণে এটা হতো। এখন থানায় গেলেই বা অনলাইনে তারা যেকোনো জিডি বা অভিযোগ দায়ের করতে পারে। 

এসময়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাজেট ১ টাকায় নামিয়ে আনার ছাঁটাই প্রস্তাব করেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। যার বিরোধীতা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাজেট হ্রাস করে ১ টাকায় নামিয়ে আনা হলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমাদের দূতাবাসগুলো বন্ধ করে দিয়ে আমাদের আমাদের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বের প্রতীক লাল–সবুজের পতাকা নামিয়ে ফেলতে হবে।

এছাড়া, বাতিল হয়েছে ১৫৯ বছরের পুরোনো জুয়া আইন। নতুন জুয়া প্রতিরোধ বিলে, অভিযুক্তের ৭ বছরের জেল ও পাঁচ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। পাস হয়েছে সাইবার সুরক্ষা বিলও।