জ্বালানি সংকট সমাধানে চীন–মালয়েশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ আমলে ক্ষতিগ্রস্ত জ্বালানি খাতের সংকট সমাধানে আরও সময় লাগবে। তবে অজুহাত দিয়ে দায় এড়াতে চায় না সরকার। এমন কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, জ্বালানি সংকট সমাধানে চীন, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। 

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে রক্তঝরা জুলাই অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। 

গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অনিবার্য সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করে বিএনপি। এতে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  

তিনি বলেন, কোনো দল বা ব্যক্তি নয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব জনগণের। জুলাই আন্দোলনে আহতদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের অবস্থান থেকে সাফ বলে দিয়েছি এই জুলাই আন্দোলনের সফলতার কৃতিত্ব এই দেশের সর্বস্তরের জনগণের। এটি কোনো একক ব্যক্তি বা একক রাজনৈতিক দলের কৃতিত্ব নয়। 

এ সময় তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে ক্ষতিগ্রস্ত জ্বালানি খাতের সংকট সমাধানে আরও সময় লাগবে। তবে অজুহাত দিয়ে দায় এড়াতে চায় না সরকার।  

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত সপ্তাহে আমি নিজে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে কথা বলেছি যে, উনি আমাদের এ ব্যাপারে সহযোগিতা করতে পারেন কি না। উনি আমাকে বললেন, তারা দেখছেন বাংলাদেশকে  কীভাবে দ্রুত সহযোগিতা করা যায়। 

প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া ৫০টি বড় কারখানা ব্যক্তি মালিকানায় ছেড়ে দিয়ে কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে।

তারেক রহমান বলেন, দেশীয় ব্যবসায়ী যারা আছেন; বিদেশি যারা আছেন তাদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। আমরা আশা করছি, আগামী ৬ থেকে ৭ মাসের মধ্যে প্রাইভেট সেক্টরের মাধ্যমে অনেকগুলো চালু করতে পারব। যার ফলে কয়েক হাজার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ইনশাল্লাহ হয়ে যাবে। 

জুলাই চেতনা ধারণ করে জনগণের পাশে থাকাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।