আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ও ওফাতের এই দিনটি সারা বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী। দিবসটি উপলক্ষ্যে এক বার্তায় মহানবীর আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

মানুষের প্রতি মমতা আর ন্যায় ও ইনসাফের শিক্ষা যে জীবন থেকে ছড়িয়ে পড়েছিল বিশ্বজুড়ে, তিনি হযরত মুহাম্মদ (সা.)। 

প্রায় দেড় হাজার বছর আগে, আরবি রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখে, আরবের মক্কায় জন্ম নেন মহানবী। অন্ধকারাচ্ছন্ন এক সমাজে তিনি মানুষকে আহ্বান জানান একত্ববাদ, সাম্য, ন্যায় ও মানবতার পথে।)) তাঁর জীবন ও কর্মের স্মরণে, এই দিনটি মুসলমানদের কাছে বিশেষ মর্যাদার।

শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে দিনটি পালন করেন মুসলিমরা। দেশের বিভিন্ন মসজিদে আয়োজন করা হয় বিশেষ দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভার।পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও দরুদ পাঠের মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হয় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে। 

শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মহানবীর আদর্শকে ব্যক্তি ও সমাজজীবনে বাস্তবায়নের তাগিদ দেন ধর্মীয় বক্তারা। তাঁর বিদায় হজের ভাষণে মানুষের মর্যাদা, অধিকার ও পারস্পরিক দায়িত্বের যে শিক্ষা উঠে এসেছিল, আজও তা সমানভাবে প্রাসঙ্গিক বলে মনে করেন তারা।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবনাদর্শের অন্যতম প্রধান শিক্ষা মানুষের প্রতি ভালোবাসা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং সমাজে শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা। তাই ঈদে মিলাদুন্নবীর এই দিনটি শুধু স্মরণের নয়; তাঁর আদর্শকে প্রত্যেক মুসলিমের জীবনে ধারণ করারও আহ্বান জানায়।

হিংসা বিদ্বেষ আর বিভেদের বদলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতা, মহানবীর দেখানো সেই পথেই এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় আজকের দিনে। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণ আর শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার যে শিক্ষা তিনি দিয়ে গেছেন, ঈদে মিলাদুন্নবীর তা-ই হয়ে উঠুক সবার জন্য অনুপ্রেরণা।