আজ জাতীয় কবি কাজী নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

সৃষ্টিশীলতার ২৩ বছরে সাহিত্যের নানা দিকে বিচরণ করেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। একইসঙ্গে বিদ্রোহ, সাম্য আর প্রেমের কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নিজেকে। আজ তার ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী।

জীবনের কঠিন বাস্তবতা খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। দারিদ্রের এই কষাঘাতই তাকে বানিয়েছে কবি, দিয়েছে বিদ্রোহের চেতনা। সর্বোপরি বাংলা সাহিত্যে অনন্য হয়ে ওঠেন কাজী নজরুল।

ক্ষণজন্মা এই কবির জন্ম ১৮৯৯ সালে বর্ধমানের চুরুলিয়ায়। শৈশব-কৈশোর কেটেছে অর্থকষ্টে। আর তাই নিপীড়িত মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতাও বেশ গভীর ছিল। মানুষের অধিকার আদায়ে সর্বদাই সচেষ্ট ছিলেন তিনি।

ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে যখন মুখ খোলা বারণ ছিল, তখনও তিনি লিখে গেছেন মুক্তির গান। নজরুলের বিদ্রোহ শুধু ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ছিল না, বরং সমাজের সব অন্যায়, অবিচার, কুসংস্কার আর বৈষম্যের বিরুদ্ধেও দাঁড়িয়েছিলেন তিনি।

শুধু বিদ্রোহ নয়, প্রেমও স্পষ্টভাবে ফুটেছে তার অসংখ্য অমর সৃষ্টিতে। ‘মোর ঘুম ঘোরে এলে মনোহর’ কিংবা ‘আলগা করো গো খোপার বাঁধন’-এর মতো গানগুলো আধুনিক শ্রোতাকেও আবেগপ্রবণ করে তোলে।

বাংলা ১৩৮৩ সালের ১২ ভাদ্র ঢাকায় মারা যান বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে।