রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে দ্রুত প্রত্যাবাসনে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন সংস্থার নবনির্বাচিত মহাসচিব ইসমাইল উলদ শেখ আহমেদ। বুধবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খালিলুর রহমানের অভিনন্দনবার্তা পৌঁছে দিতে ওআইসিতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত এম জে এইচ জাবেদ তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আশ্বাস দেন।
ওআইসির মহাসচিব বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের যথাযথ সমাধান না হলে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে এবং সবার জন্য চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি করতে পারে।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নতুন ওআইসি মহাসচিবকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং তাঁর দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশ সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার কথা জানান।
মহাসচিব শেখ আহমেদ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নের যাত্রা নতুন গতি পাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মহাসচিব ওআইসির সহযোগী অঙ্গসংস্থা হিসেবে বাংলাদেশে অবস্থিত ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) অবদান তুলে ধরেন। ওআইসির সদস্যদেশগুলোর প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসারে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।
বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইইউটির গবেষণা ও উদ্ভাবন সক্ষমতা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। বাংলাদেশকে তাঁর অগ্রাধিকারভুক্ত দেশগুলোর একটি উল্লেখ করে শিগগির দেশটি সফরের ইঙ্গিতও দেন ওআইসি মহাসচিব।
সম্পদের বৈচিত্র্যের কারণে ওআইসির সদস্যদেশগুলো বিভিন্ন কর্মসূচি ও কার্যক্রমে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারে বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়। চুক্তিভিত্তিক কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, আতিথেয়তা, শিক্ষা এবং বিভিন্ন উৎপাদনশীল খাত ও উপখাতে সদস্যদেশগুলো সহযোগিতা ও পারস্পরিক লাভজনক প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারে বলেও বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।