শেখ হাসিনার দুর্নীতির মামলার অগ্রগতি দ্রুত দৃশ্যমান হবে, জানালেন দুদক মহাপরিচালক

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুর্নীতির সব মামলার অগ্রগতি দ্রুত দৃশ্যমান হবে বলে জানিয়েছেন দুদক মহাপরিচালক। তিনি বলেন, এ বিষয়ে দুদকসহ যৌথ তদন্ত দল কাজ করছে। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে দুদক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে মহাপরিচালক আরও জানান, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সব সংস্থা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। 

ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শেখ হাসিনার একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। তবে এখন পর্যন্ত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ৭ মামলার মধ্যে কেবল প্লট জালিয়াতি বাদে বেশির ভাগ মামলার অনুসন্ধান ও তদন্ত শেষ করতে পারেনি সংস্থাটি।

দুদকের তালিকায় থাকা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রূপপুর প্রকল্পে ৫০০ কোটি ডলার দুর্নীতি, মুজিববর্ষের নামে অর্থ লুটপাট, নির্বাচনী হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপনসহ একাধিক দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু হয়। 

ব্রিফিংয়ে দুদক মহাপরিচালকের ভাষ্য, দ্রুত মামলাগুলোর কাজ শেষ করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, ‘জিটের (যৌথ তদন্ত দল) মামলাগুলোতে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জেটের কার্যক্রম সার্বক্ষণিকভাবে আমরা মনিটর করছি।’।

এদিকে, নজিরবিহীন দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের মামলায় পলাতক আসামি সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সব সংস্থার সঙ্গে দুদক কাজ করছে বলে জানান মহাপরিচালক।

দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, ‘শুধু আমরা (দুদক) নই; এখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। নতুন কোনো তথ্য হাতে এলে আমরা আপনাদেরকে জানাব।’।

নতুন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের দেড় মাসে ১২১টি মামলা ও ৬১টি চার্জশিট আদালতে দাখিল করেছে বলেও জানান তিনি।