বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) সংস্কারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে নতুন আইনকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানায় যুক্তরাষ্ট্র।
ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, ‘বিতর্কিত আইন সংস্কার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতিকে যুক্তরাষ্ট্র স্বাগত জানায়। আমরা আগেই বলেছি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সমালোচকদের গ্রেপ্তার, আটক এবং মুখ বন্ধ করতে ব্যবহৃত হয়েছে।’
মত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্বের দাবি তুলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ সংশোধনের দাবিতে অনেক দিন ধরেই সরব ছিল বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সংগঠন। এ নিয়ে আন্দোলনও হয়েছে। নির্বাচন সামনে রেখে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মার্কিন প্রতিনিধিরা ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ সফরের সময় এই আইন নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা জানান।
এরমধ্যেই বিতর্কিত এই আইনটি পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয় সরকার। আগের আইনটিকে প্রতিস্থাপন করে এবার করা হচ্ছে সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩। গত সোমবার আইনটির নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধিকাংশ ধারা নতুন আইনেও থাকবে। তবে বিতর্কিত বিভিন্ন ধারায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
মার্কিন মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, ‘এই আইনটি সংস্কারের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের দীর্ঘদিনের যে প্রতিশ্রুতি রয়েছে সেটিকে আমরা স্বাগত জানাই। সকল অংশীদারকে যেন নতুন খসড়া সাইবার নিরাপত্তা আইন পর্যালোচনা করার সুযোগ দেওয়া হয় এবং এই আইনটিতে যেন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিশ্চিত করা হয়, সে বিষয়ে আমরা বাংলাদেশ সরকারকে উৎসাহিত করি।’