বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য এবং বাংলাদেশ পরিস্হিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ভারতের ‘আলোচনা’ ঢাকা- নয়াদিল্লির টেকসই সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কোনো ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে না। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের এই কৌশল শুরু হয়েছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে, যখন গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনের পতন হয় এবং তিনি নয়াদিল্লিতে পালিয়ে যান। এখানে বলে রাখা ভালো, শেখ হাসিনা ভারতের অকৃত্রিম মিত্র এবং এই সখ্যতা কখনোই বিচ্ছিন্ন হয়নি।
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি গত ১৪ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের সময় বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের “উদ্বেগ” জানিয়েছেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে আলোচনা শেষে সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশ্যে মিশ্রি অবশ্য বলেন যে, ভারত এখনো ঢাকার অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে “গঠনমূলক” সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
গত বছরের আগস্টে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেই একটি টুইট করেছিলেন, যেখানে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সাথে তার বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনার কথা উল্লেখ করেন। মোদি টুইটে বলেছিলেন যে, তারা ইউক্রেন প্রসঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং ‘বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেছেন। বাংলাদেশে স্বাভাবিক পরিস্থিতি দ্রুত পুনরুদ্ধার এবং বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়।’ তবে, হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বাংলাদেশের বিষয়ে কোনো উল্লেখ ছিল না।
ট্রাম্প-মোদি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক বাংলাদেশ নিয়ে কৌশলে একটি প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন। সাংবাদিকের ইংরেজি উচ্চারণের ধরণ শুনে ভারতীয় বলেই মনে হয়। প্রশ্নটির উদ্দেশ্যে ছিল মার্কিন প্রশাসনের কাছ থেকে বাংলাদেশ বিষয়ে নেতিবাচক মন্তব্য বের করা। তিনি বলেন, ‘মিস্টার প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশের বিষয়ে আপনার কী মতামত? কারণ আমরা দেখেছি, সে দেশের সরকার পরিবর্তনে বাইডেন প্রশাসনের মার্কিন ডিপ স্টেট কীভাবে যুক্ত ছিল… এটি স্পষ্ট। এবং তারপর মুহাম্মদ ইউনূস সাক্ষাৎ করেছেন জুনিয়র সোরোসের সঙ্গে। সুতরাং, বাংলাদেশের বিষয়ে আপনার মত কী?’
সাংবাদিকের প্রশ্নটি ইচ্ছাকৃতভাবে বাংলাদেশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে খাটো করে দেখার চেষ্টা বলেই মনে হয়। ছাত্র-জনতার মিলিত অভ্যুত্থানের মাধ্যমেই দেশের ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটেছিল। প্রশ্নটি অবশ্য ভারতের এক শ্রেণির গণমাধ্যমের বাংলাদেশের প্রতি নেতিবাচক মনোভাবেরই প্রতিফলন। ওইসব সংবাদমাধ্যম বাংলাদেশ সম্পর্কে মিথ্যা প্রচারের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়াতে সময় নষ্ট করছে না।
ভারতীয় গণমাধ্যমের একাংশের এই নেতিবাচক ভূমিকার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় স্বাধীন ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানারের এক বিশ্লেষণে। ওই বিশ্লেষণ বলছে যে, ২০২৪ সালে ভারতীয় ৭২টি সংবাদমাধ্যম বাংলাদেশের ৩২টি বিষয় নিয়ে অন্তত ১৩৭টি মিথ্যা প্রতিবেদন প্রচার করেছে।
এছাড়া প্রশ্নের একটি অংশ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে প্ররোচিত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল মনে হয়।এ বিষয়ে আমেরিকান বিনিয়োগকারী ও সমাজসেবক জর্জ সোরোসের প্রসঙ্গ টেনে আনা হয়েছিল। ট্রাম্প অনেক আগে অভিযোগ করেছিলেন যে জর্জ সোরোস ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্র্যাগকে এক মিলিয়ন বা ১০ লাখ ডলার দিয়েছিলেন। ট্রাম্পের ২০১৬ সালের নির্বাচনী প্রচারের সময় কথিত ‘হাশ মানি’ পেমেন্ট নিয়ে তদন্তে ওই অর্থ ব্যবহৃত হওয়ার অভিযোগ করা হয়েছিল।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়ায় ফল হলো উল্টো। ট্রাম্প বলেন, “আমাদের ডিপ স্টেটের ভূমিকা ছিল না। এটি এমন একটি বিষয়, যা (ভারতের) প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন... এবং তিনি শত শত বছর ধরে এটি নিয়ে কাজ করছেন। তাই বিষয়টি নিয়ে আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকেই বলতে বলবো।” তিনি পাশে বসে থাকা নরেন্দ্র মোদির দিকে ইঙ্গিত করে এই উত্তর দেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের জবাবে, মোদি কোনো উত্তর দেননি এবং পরিবর্তে ইউক্রেন প্রসঙ্গে কথা বলা শুরু করেন।
এদিকে, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ৩২ নম্বর ধানমন্ডিতে শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক বাসভবন ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দা জানায় ভারত। শত শত বিক্ষোভকারী বাড়িতে হামলা চালায় এবং সেটি ভাঙচুর করে।এই ভাঙচুরের সময় শেখ হাসিনার একটি অনলাইন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। এ বিষয়ে ভারত বিবৃতিতে বলে, ‘এটি দুঃখজনক যে শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক বাসভবন ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে ধ্বংস করা হলো। এই বাড়ি দখলদার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণের বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধের প্রতীক।’
ধানমন্ডি-৩২ বাসভবন ভাঙচুরের বিষয়ে ভারতের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ এই বক্তব্যকে “অপ্রত্যাশিত ও অযাচিত” বলে অভিহিত করে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশ যদিও ভারতের অনেক সহিংসমূলক ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেছে, কিন্তু অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য থেকে বিরত থেকেছে এবং প্রতিদান স্বরূপ একই আচরণ প্রত্যাশা করে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ধানমন্ডি-৩২-এ ভাঙচুরের ঘটনাকে “দুঃখজনক ও অপ্রত্যাশিত” বলে অভিহিত করে এবং এটি শেখ হাসিনার “প্ররোচনামূলক মন্তব্যের” ফলে জনরোষে সৃষ্ট বলে উল্লেখ করে। সরকার ভারতকে আহ্বান জানায়, তাদের ভূখণ্ড যেন বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে ব্যবহৃত না হয় এবং শেখ হাসিনা যেন আর কোনো মন্তব্য না করেন।
শেখ হাসিনা ভারতে পালানোর আগে ভারতের নীতির পরিবর্তনটি লক্ষণীয়। কারণ তখন পর্যন্ত নয়াদিল্লি ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিষয়গুলোকে অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করত। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে বিরোধী দলগুলোর অংশগ্রহণ না করার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হলে, ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছিলেন, “বাংলাদেশের নির্বাচন–এবং আমরা এটা ধারাবাহিকভাবে বলে আসছি–বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়।”
অনেক বাংলাদেশিই মনে করেন, শেখ হাসিনার সময় ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা হয়েছে জাতীয় স্বার্থের বিনিময়ে। ভারতকে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা এবং সহজে বাজার প্রবেশাধিকার দেওয়া সত্ত্বেও, পানি বণ্টন এবং সীমান্ত হত্যার মতো অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে বাংলাদেশ থেকে জোরালো কোনো প্রতিবাদ দেখা যায়নি।
সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে মোমেনের জনসমক্ষে দেওয়া এক বক্তব্য নতজানু নীতির এই ধারণাকে আরও জোরালো করেছিল। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি ভারতে গিয়ে বলেছি, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় থাকতে হবে। তাহলেই দেশ উন্নতি করবে এবং প্রকৃত অর্থে একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত হবে। আমি তাদের অনুরোধ করেছি, এটি নিশ্চিত করতে যা যা প্রয়োজন, তা করতে।’
পক্ষান্তরে, নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের নতুন সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক অবশ্যই সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে হবে, এর কম কিছু নয়।
ছয় মাস পরে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সম্ভবত বুঝতে শুরু করেছে যে, দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কের প্রয়োজন, যা উভয় দেশের জন্য উপকারী। সম্প্রতি কংগ্রেস নেতা শশী থারুর বলেছেন, ভারতের উচিত কোনো রাজনৈতিক দল নয়, বরং বাংলাদেশের জনগণকে অগ্রাধিকার দেওয়া। তিনি আরও বলেন, তিনি মনে করেন না যে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শত্রুভাবাপন্ন। ‘বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী হিসেবে, প্রতিটি স্তরে এই বার্তা দেওয়া উচিত যে আমাদের সম্পর্ক বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে, কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা সম্প্রদায়ের জন্য নয়’’, বলেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী থারুর।
হাসিনার সাম্প্রতিক মন্তব্য পরিস্থিতিকে “জটিল” করে তুলেছে বলে স্বীকার করেন এই প্রাক্তন আন্তর্জাতিক কূটনীতিক। থারুর আরও বলেন, ভারতের এমন কিছু করা উচিত না, যা স্পষ্ট বা গোপনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দেয়।
ভারত যাকে আশ্রয় দিয়েছে সেই শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে, তিনি বাংলাদেশে নির্বাচনী ব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাকে অপব্যবহার করে ভিন্নমতালম্বীদের গুম করার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও, তাঁর বিরুদ্ধে সহযোগীদের সহায়তায় অর্থপাচারের অভিযোগ তো রয়েছেই।
জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তরের সাম্প্রতিক এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই মাসের ছাত্র-জনতার গণঅভূত্থাণের সময় শেখ হাসিনা ব্যক্তিগতভাবে ছাত্র ও প্রতিবাদকারীদের হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই নিপীড়নগুলোকে “মানবতাবিরোধী অপরাধ” হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের মূল্যায়নের পরিপ্রেক্ষিতে আশা করা যেতে পারে বাংলাদেশ নিয়ে যদি নয়াদিল্লির কোনো উদ্বেগ থাকে, তাহলে তাদের উচিত ঢাকার সাথেই সরাসরি আলোচনা করা, যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো দেশের সাথে নয়।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ১৬ ফেব্রুয়ারি ওমানের মাসকাটে অনুষ্ঠিত ৮ম ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্স (আইওসি)-এর সাইডলাইনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দুই নেতা তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের চ্যালেঞ্জগুলো স্বীকার করেন এবং সেগুলো সমাধানের জন্য একসঙ্গে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
তবে মাসকাটের এই বৈঠকের পরপরই দুই দেশের সম্পর্কে আবার নতুন মোড় নেয়। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ২৩ ফেব্রুয়ারি বলেন, ঢাকার ঠিক করা উচিত, তারা নয়াদিল্লির সঙ্গে কী ধরনের সম্পর্ক চায়। ‘যদি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কেউ প্রতিদিন ভারতের বিরুদ্ধে সবকিছুর জন্য দোষারোপ করে… তাহলে আপনি একদিকে বলতে পারেন না যে এখন আমি আপনার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাই,’ দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য উৎসবে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ কথা বলেন জয়শঙ্কর।
এস জয়শঙ্করের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, বাংলাদেশ যেমন সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের সঙ্গে কী ধরনের সম্পর্ক চায়, তেমনি নয়াদিল্লিরও একইভাবে ভাবতে হবে তারা কী চায়। তিনি আরও বলেন, উভয় দেশের বিভিন্ন নীতিনির্ধারকদের কাছ থেকে আসা ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য নিয়ে বলার কিছু নেই।
ভিডিও দেখুন:উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চার হাজার কিলোমিটারেরও বেশি স্থলসীমান্ত রয়েছে। অনেক মানুষের সীমান্তের দুইপাশে আত্মীয়-স্বজনও রয়েছে।
সব মিলিয়ে বল এখন নয়াদিল্লির কোর্টে। তারা কী ধরনের সম্পর্ক চায়, তা তাদেরকেই কাজের মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে। তারা কি তা করবে?
(নিবন্ধটি ইংরেজি থেকে অনূদিত।)
লেখক: সহযোগী সম্পাদক, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন।
[এই মতামত লেখকের নিজস্ব। এর সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সম্পর্ক নেই।]