জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনার পর রাজনৈতিক দলগুলো যখন ‘জুলাই সনদ ২০২৫’-এর খসড়ায় একমত হয়, তখন এটা বলা যায় যে বাংলাদেশ একটি স্থায়ী রাজনৈতিক সমঝোতায় এগিয়ে যাচ্ছে। এই সনদ অনেকটা ১২১৫ সালে ইংল্যান্ডের রাজা জন ও বিদ্রোহী ব্যারনদের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘ম্যাগনা কার্টা’র মতোই। যার মাধ্যমে শুধু ব্রিটেনেই নয়, সারা বিশ্বে প্রতিনিধিত্বশীল শাসনব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের ভিত্তি গড়ে ওঠে।
২০২৫ সালের ৫ আগস্ট ছিল শেখ হাসিনার একনায়কতান্ত্রিক সরকার পতনের প্রথম বার্ষিকী। এ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ ঘোষণার পর জাতি এখন ‘জুলাই সনদ’ ঘোষণার অপেক্ষায়। তিনি বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্রে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও অতীতের অন্যান্য গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়। আর জুলাই সনদ ‘ক্ষমতা হস্তান্তরের সুষ্ঠু প্রক্রিয়া নিশ্চিত করবে, রাষ্ট্রের জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে, নাগরিক অধিকার বাস্তবায়নে সহায়তা করবে এবং জাতীয় সম্পদ ও সক্ষমতার যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করবে,’ বললেন অধ্যাপক ইউনূস।
শেখ হাসিনা সরকারকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত সহায়তা করা দলগুলো বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলোর আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের অপেক্ষায় এখন ‘জুলাই সনদ’। সনদের প্রস্তাবিত রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাবগুলোর উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় ফ্যাসিবাদী প্রবণতার পুনরাবৃত্তি আর যেন কখনই না হয়।
১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনার শাসনামলে বাংলাদেশে এক ধরনের কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা সূচনা ঘটে, যা পরে ক্রমে ফ্যাসিবাদী রূপ ধারণ করে।
এ সময়, নির্বাচনভিত্তিক গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দেওয়া হয় রাষ্ট্রযন্ত্রের অপব্যবহারের মাধ্যমে। মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে এবং জাতীয় সংকটের সময় দায় চাপিয়ে দিয়ে বিরোধী রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় দমন-পীড়ন চালিয়ে। নিরাপত্তা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে অপহরণ, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং গোপন নির্যাতনকেন্দ্র চালানোর কাজে ব্যবহার করা হয়।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দারুণভাবে সংকুচিত হয়–সংবাদমাধ্যমগুলোর একাংশকে নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়, বাকিদের ওপর আরোপ করা হয় আত্মনিয়ন্ত্রণ বা সেল্ফ-সেন্সরশিপ।
গণমাধ্যম ও শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে শেখ হাসিনার নিজের ও পরিবারের প্রতি অন্ধ আনুগত্য নিশ্চিত করতে তিনি ও তার পরিবারকে ঘিরে একধরনের ব্যক্তিপূজার সংস্কৃতি গড়ে তোলা হয়।
অন্যদিকে গড়ে ওঠে একটি গোষ্ঠীতন্ত্রের অর্থনীতি, যার মাধ্যমে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল দুর্নীতি করে বিপুল সম্পদ অর্জন করে এবং ব্যাংকিং খাত থেকে টাকা পাচার করে বিদেশে নিয়ে যায়।
জাতীয় শাসন ব্যবস্থার সংস্কারগুলোর লক্ষ্য এখন একটাই–বাংলাদেশে যেন আর ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি না ঘটে। এজন্য স্পষ্ট আইনের ভিত্তিতে একটি সমতাভিত্তিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে নির্বাচন হবে কারচুপিমুক্ত, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা গুম বা অপহরণের সঙ্গে জড়িত থাকবেন না, এবং শাসকেরাও থাকবেন না আইনের ঊর্ধ্বে। এই সংস্কার-চেষ্টা ১২১৫ সালের ইংল্যান্ডের ‘গ্রেট চার্টার’ বা ম্যাগনা কার্টা’র সেই চেতনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়, যেখানে প্রথমবারের মতো ঘোষণা করা হয়েছিল ছিল–রাজাও আইনের অধীন।
রাজনৈতিক দলগুলো প্রধানমন্ত্রী পদে এক ব্যক্তির জন্যে সর্বোচ্চ ১০ বছরের মেয়াদ নির্ধারণে ঐকমত্যে পৌঁছেছে–এটি একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। এর লক্ষ্য হলো পারিবারিক রাজনীতির চক্র ভাঙা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরে গণতন্ত্র চর্চা উৎসাহিত করা। এটি সম্ভবত প্রথমবারের মতো কোনো ওয়েস্টমিনস্টার ধাঁচের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্ধারণের দৃষ্টান্ত হবে। বাংলাদেশের মতো নিজস্ব রাজনৈতিক বাস্তবতায় নিজস্ব সমাধান প্রয়োগ জরুরি। এই সিদ্ধান্ত সেই প্রয়াসেরই প্রতিফলন। তবে, বর্তমান সময়ে বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রে কর্তৃত্ববাদের উত্থানের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের এই পদক্ষেপ একটি মডেল হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।
বৃহৎ সংস্কার উদ্যোগের অংশ হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলো আরও কিছু বিষয়ে একমত হয়েছে। তারা সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চারটি সভাপতির পদ বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে বণ্টনে সম্মতি দিয়েছে। পাশাপাশি একটি আসনসীমা নির্ধারণ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে গোপন ব্যালট ব্যবহারের বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদানের এখতিয়ার সংশোধনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হলো–সংবিধানের কিছু মৌলিক অনুচ্ছেদ, যেমন প্রস্তাবনা, রাষ্ট্রের মৌলিক নীতিমালা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত বিধান পরিবর্তনে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামত গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এছাড়া, কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলো গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সংস্কার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছালেও, কিছু ধারার বা উপধারার ওপর “ভিন্নমত” প্রদান করে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তত্ত্বাবধানে প্রতি পাঁচ বছরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের ব্যাপারে সব দলই একমত, তবে প্রধান উপদেষ্টাকে বাছাইয়ের এক বা দুইটি পদ্ধতি নিয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন অন্যতম কেন্দ্রীয় ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে। প্রস্তাবিত সংশোধন অনুযায়ী, সংসদ সদস্যরা আস্থা ভোট ও অর্থবিল ছাড়া অন্যান্য বিষয়ে দলীয় অবস্থানের বাইরে গিয়ে ভোট দিতে পারবেন। তবে কিছু দল চায়, সংবিধান সংশোধনী বিল ও জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোও এই ব্যতিক্রমের তালিকায় রাখা হোক।
এছাড়াও সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতিদের মধ্য থেকে জ্যেষ্ঠতম বিচারপতিকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়েছে। তবে কোনো দল যদি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা করে যে তারা শীর্ষ দুই বিচারপতির মধ্য থেকে কাউকে নিয়োগ দিতে চায় এবং নির্বাচনে জয়ী হয়, তাহলে সে ক্ষেত্রে তারা তা করতে পারবে। বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, তাঁর দল জ্যেষ্ঠতার নীতি মেনে নিলেও শীর্ষ দুইজনের মধ্য থেকে বাছাইয়ের সুযোগ সংরক্ষিত রাখতে চায়।
উচ্চকক্ষ গঠনের প্রক্রিয়া, নারীর প্রতিনিধিত্ব এবং প্রধানমন্ত্রী দলীয় প্রধানের দায়িত্ব একযোগে পালন করতে পারবেন কি না–এই বিষয়গুলোতেও মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।
এছাড়া কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও মতানৈক্য দেখা দিয়েছে। সংস্কার প্রস্তাবে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি যেন নিরপেক্ষভাবে বিভিন্ন তদারকি সংস্থার প্রধান নিয়োগ দেন। তবে বিএনপি ও কয়েকটি দল আপত্তি জানিয়েছে–জ্বালানি নিয়ন্ত্রক কমিশন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগের পূর্ণক্ষমতা এককভাবে রাষ্ট্রপতির হাতে তুলে দেওয়া নিয়ে।
সংস্কার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের উপায়
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, আগামী জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় গিয়ে যেন তারা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এ উল্লিখিত সাংবিধানিক ও আইনগত সংস্কারসমূহ আগামী দুই বছরের মধ্যে সম্পন্ন করে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তারা সংস্কার বাস্তবায়নের কার্যকর পদ্ধতির জন্য রাজনৈতিক দল ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাবে।
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি একটি গুরুত্বপূর্ণ পক্ষ। দেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে বিভিন্ন মেয়াদে ১৪ বছর রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দলটি কমিশনের সংস্কার প্রস্তাবের ওপর সবচেয়ে বেশি “ভিন্নমত” প্রদান করলেও একাধিক বড় সিদ্ধান্তে ছাড় দিয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো, প্রধানমন্ত্রী পদে একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। বিএনপির প্রাথমিক প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, কেউ যেন পরপর দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী না থাকতে পারেন। অর্থাৎ, কোনো ব্যক্তি টানা দুটি মেয়াদে দায়িত্ব পালন করে বিরতি দিয়ে তৃতীয় কিংবা তার পরেও মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন।
তবে দীর্ঘদিন ধরেই একটি সংস্কারপন্থী দল হিসেবে বিএনপি তার অবস্থান পরিষ্কার করতে পেরেছে। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে দলটি ৩১-দফার সংস্কার প্রস্তাব প্রকাশ করে, যার বেশির ভাগই কমিশনের প্রস্তাবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এরও আগে ২০১৬ সালে দলটি ‘ভিশন ২০৩০’ নামে একটি কাঠামোগত সংস্কারপত্র উপস্থাপন করেছিল।
জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি সহ অন্যান্য দলও সংস্কার বাস্তবায়ন দেখতে আগ্রহী। তবে কীভাবে এসব সংস্কার বাস্তবায়ন হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, কারণ দলগুলোর অবস্থানে ভিন্নতা রয়েছে।
এ সুযোগ হারানো যাবে না
এ রকম আরেকটি ঐতিহাসিক সুযোগ একবার এসেছিল ১৯৯০ সালে। যদিও জুলাই সনদের মতো সেটা কাঠামোগত সংস্কারের দিক থেকে অতটা সুনির্দিষ্ট ছিল না। তখন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ৮-দল, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ৭-দল এবং বামঘেঁষা ৫-দলীয় জোট একত্রে একটি রূপরেখা ঘোষণা করেছিল, যার মাধ্যমে সামরিক শাসক এইচএম এরশাদের পদত্যাগ এবং গণতান্ত্রিক শাসনে প্রত্যাবর্তনের পথ উন্মোচিত হয়। জামায়াতে ইসলামী যদিও কোনো জোটের অংশ ছিল না, তবুও সেই সময়ে তারা একযোগে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে শরিক হয়।
প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদকে ভাইস প্রেসিডেন্ট নিয়োগ এবং তাঁর হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে আন্দোলনের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য পূরণ হয়। অবশ্য, সংসদীয় গণতন্ত্র পুনর্বহালের বাইরে অন্যান্য অঙ্গীকার–যেমন বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ দূরীকরণ–অপূর্ণই রয়ে যায়। নির্বাচনী নিরপেক্ষতা, মৌলিক অধিকার এবং ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির প্রতিশ্রুতিগুলোও ধীরে ধীরে বিস্মৃত হয়।
২০২৫ সালের জুলাই সনদ গণ-অভ্যুত্থানে ৮০০-এর বেশি শহীদের আত্মদান ও ১,৭০০ বেশি আহত মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে। এই সনদে যেসব সংস্কারের পরিকল্পনা করা হয়েছে তা বাস্তবায়ণ করতেই হবে।
তবে, এটা মনে রাখতে হবে, অর্থবহ সংস্কার একদিনে সম্পন্ন হয় না; এটি ধাপে ধাপে ও স্বাভাবিক গতিতে বিকশিত হয়, একটি জীবন্ত সত্তার মতো, পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে তৈরি কোনো পণ্য নয়।
রাজনৈতিক দলগুলো ইতোমধ্যে একাধিক মূল সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। যদিও কিছু ধারা এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে মতপার্থক্য আছে। গণতন্ত্রে এই মতানৈক্য স্বাভাবিক। যদিও কিছু মানুষ দলগুলোর শর্তসাপেক্ষ ঐকমত্যের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বহুমত গণতন্ত্রেরই অংশ। মনে রাখতে হবে, সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া।
(নিবন্ধটি ইংরেজি থেকে অনূদিত।)
লেখক: সহযোগী সম্পাদক, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন
[এই মতামত লেখকের নিজস্ব। এর সঙ্গে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সম্পর্ক নেই।]